সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয়

সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত বিষয়বস্তু নিয়েই থাকছে আমাদের আজকের মূল আলোচনা। সাথেই আপনাদের জন্য আরও থাকছে, সিজারের কতদিন পর বুকে দুধ আসে সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সমূহ।
সিজারের-পর-বুকে-দুধ-না-আসলে-করনীয়
কিছু শারীরিক অবস্থার কারণে সিজারের পর দুধ আসতে দেরি হতে পারে। তাই আমাদের আজকের পোস্টটি অবশ্যই সম্পূর্ণ মনোযোগ সহকারে পড়ুন যেন সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় সম্পর্কে বিশদ তথ্য পেতে পারেন।
.

সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয়

সিজারের পর অনেক মা-ই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান যখন দেখেন যে তাঁদের বুকে দুধ আসছে না বা পরিমাণে কম আসছে। এটি একটি সাধারণ সমস্যা, তবে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। মূল বিষয় হলো ধৈর্য ধরতে হবে এবং সঠিক উপায় অবলম্বন করতে হবে। এখানে কিছু কার্যকর কৌশল ও ঘরোয়া উপায় আলোচনা করা হলো, যা মায়েদের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

নবজাতককে বারবার বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন। অনেক মা মনে করেন দুধ না আসা পর্যন্ত শিশুকে বোতল ফিড দিতে হবে, কিন্তু এটি ভুল ধারণা। নবজাতক যতবারই বুকের দুধ চুষবে, ততবারই শরীর থেকে প্রল্যাক্টিন হরমোন নিঃসৃত হবে, যা দুধ তৈরি হতে সাহায্য করে। এমনকি যদি শুরুতে দুধ কম আসে, তবুও বারবার চেষ্টার ফলে এটি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে।

সিজারের পর শারীরিক ব্যথা ও মানসিক চাপের কারণে বুকের দুধ কম আসতে পারে। তাই পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মানসিক চাপ কমাতে পরিবারের সাহায্য নেওয়া উচিত। বুকে দুধ না আসলে করণীয় হলো বেশি পরিমাণ পানি পান করা। একজন স্তন্যদানকারী মায়ের দিনে অন্তত ১০-১২ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

এছাড়া ডাবের পানি, ফলের রস ও তরল খাবারও বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক খাবার গ্রহণ করুন। যেমন- শাকসবজি (পালং শাক, মেথি শাক), মেথি বীজ ও মেথি চা, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, বাদাম ও খেজুর, কালোজিরা ও মধু। এগুলো নিয়মিত খেলে বুকের দুধ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় হিসাবে স্তনের হালকা ম্যাসাজ খুব কার্যকর।

হালকা গরম পানি দিয়ে স্তনের সঞ্চালন বৃদ্ধি করা গেলে দুধ দ্রুত আসতে শুরু করে। সিজারের পর মায়েদের শারীরিক অসুবিধা থাকায় অনেক সময় শিশুকে ঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানো কঠিন হয়ে যায়। তাই পাশ ফিরে শোয়া বা বালিশের সাহায্যে বাচ্চাকে কোলে নেওয়া ভালো হতে পারে। যদি সিজারের পর দীর্ঘ সময় ধরে বুকের দুধ না আসে, তবে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

বুকে দুধ না আসলে করণীয় অনেক কিছুই রয়েছে, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধৈর্য রাখা এবং নিয়মিত শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা। শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সঠিক খাবার ও মানসিক প্রশান্তি দিলে ধীরে ধীরে বুকের দুধ বৃদ্ধি পাবে।

সিজারের কতদিন পর বুকে দুধ আসে

সিজারের পর অনেক মা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান যে, তাঁদের বুকের দুধ কবে থেকে স্বাভাবিকভাবে আসবে। সাধারণত স্বাভাবিক প্রসবের মতো সিজারের পরও মায়ের শরীর বুকের দুধ উৎপাদন শুরু করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে সামান্য বিলম্ব হতে পারে। এসময় কখন বুকে দুধ আসে তা নির্ভর করে মায়ের শারীরিক অবস্থা, হরমোনের কার্যকারিতা এবং শিশুর স্তন্যপান করার ওপর। মোটামুটি সিজারের ২ থেকে ৫ দিনের মধ্যে মায়ের দুধ আসা শুরু করে।

অনেক সময় দেখা যায়, বুকে দুধ আসার সময় নির্ভর করে শিশুকে কতবার স্তন্যপান করানো হচ্ছে তার ওপর। যদি নবজাতক নিয়মিতভাবে স্তন্যপান করে, তাহলে বুকের দুধ দ্রুত আসতে শুরু করে। কিছু কারণে সিজারের পর দুধ আসতে দেরি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধরতে হবে এবং নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। যদি ৫-৭ দিন পার হওয়ার পরও বুকে দুধ না আসে, তবে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

মায়ের বুকে দুধ না আসার কারণ

নবজাতকের জন্য বুকের দুধ হলো সর্বোত্তম পুষ্টির উৎস, কিন্তু অনেক মা-ই সিজারের পর বা স্বাভাবিক প্রসবের পর বুকের দুধ কম আসা বা একেবারেই না আসার সমস্যায় পড়েন। এটি মা ও শিশুর জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মায়ের বুকে দুধ না আসার বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে, যা জানা থাকলে এর সমাধান করা সহজ হয়।
  • দুধ উৎপাদনের জন্য মূলত দুইটি হরমোন দায়ী- প্রল্যাক্টিন এবং অক্সিটোসিন। কোনো কারণে যদি এই হরমোনের নিঃসরণ কম হয়, তাহলে দুধ আসতে দেরি হয় বা একেবারেই আসে না। বিশেষ করে থাইরয়েডের সমস্যা, পিটুইটারি গ্রন্থির অসামঞ্জস্যতা বা ডায়াবেটিস থাকলে দুধ কম আসতে পারে।
  • সিজারের পর ব্যবহৃত অ্যানেস্থেশিয়া বা ব্যথানাশক ওষুধের কারণে অনেক সময় বুকের দুধ আসতে দেরি হয়। ওষুধের প্রভাব কমে গেলে ধীরে ধীরে দুধ আসা শুরু করে। তাই সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় হলো ধৈর্য রাখা এবং শিশুকে বারবার স্তন্যপান করানো।
  • নতুন মায়েরা সন্তান জন্মের পর বিভিন্ন মানসিক চাপে থাকেন, যা বুকের দুধ উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। স্ট্রেস কমানোর জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পরিবারের সাহায্য এবং ইতিবাচক মানসিকতা ধরে রাখা জরুরি।
  • দেহে পর্যাপ্ত পানির ঘাটতি থাকলে বুকের দুধ কমে যেতে পারে। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার না খেলে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ দুধ তৈরি করতে পারে না। তাই সিজারের কতদিন পর বুকে দুধ আসে তা নির্ভর করে মায়ের খাদ্যাভ্যাসের ওপরও।
  • যদি নবজাতক স্তন্যপান করতে না চায় বা ঠিকভাবে স্তন ধরে না, তাহলে বুকের দুধ উৎপাদন কমে যেতে পারে। এজন্য সঠিকভাবে শিশুকে স্তন্যপান করানো জরুরি।
মায়ের বুকে দুধ না আসার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি সাময়িক। সঠিক যত্ন, পুষ্টি এবং মানসিক প্রশান্তির মাধ্যমে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

কি খেলে বুকের দুধ আসে

সঠিক খাদ্যাভ্যাস বুকের দুধ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক নতুন মা-ই চিন্তিত থাকেন, বুকের দুধ কীভাবে বাড়ানো যায় এবং কোন খাবার খেলে দুধ বেশি হবে। তাই কিছু বিশেষ খাবারের তালিকা জানা থাকলে এই সমস্যা সমাধান করা সহজ হয়।
  • পালং শাক, মেথি শাক, সজনে পাতা ইত্যাদি বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণ আয়রন, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা মায়ের শরীরকে শক্তিশালী করে এবং দুধ উৎপাদনে সাহায্য করে।
  • মেথি ও কালোজিরা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত কার্যকর। সকালে এক চামচ মেথি ভিজিয়ে রেখে খেলে দুধের পরিমাণ বাড়তে পারে। কালোজিরা মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া গেলে এটি আরও উপকারী হয়।
  • সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করা। ডাবের পানি, ফলের রস ও সুপ বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত।
  • গরুর দুধ, দই, ছানা ও পনিরে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে, যা বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ দুধ পান করা মায়েদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
  • কাজু, আমন্ড, আখরোট ও খেজুরে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও প্রোটিন বুকের দুধের উৎপাদন বাড়ায়। বিশেষ করে খেজুর খেলে দুধের পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
সঠিক পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে বুকের দুধ সহজেই বৃদ্ধি পায় এবং নবজাতকের সুস্থতা নিশ্চিত করা যায়। তাই প্রতিদিন এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি।

বুকের দুধ বৃদ্ধির ঘরোয়া উপায়

বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে অনেক মা ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করেন, যা প্রাকৃতিক এবং সহজলভ্য। সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে দুধ বৃদ্ধির চেষ্টা করা। এই উপায়গুলো দুধের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এবং মা ও শিশুর জন্য স্বাস্থ্যকর।
  • মেথি বীজ বুকের দুধ বৃদ্ধিতে একটি প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। মেথি বীজে থাকা ফাইটোস্ট্রোজেন হরমোনের মতো উপাদান দুধের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক। মেথি বীজ ভিজিয়ে রেখে প্রতিদিন সকালে খেলে দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • কালোজিরা ও মধু একত্রে খাওয়া বুকের দুধ বৃদ্ধিতে বিশেষ উপকারী। কালোজিরাতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান এবং মধুতে থাকা পুষ্টি, দুধের প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন কালোজিরা ও মধুর মিশ্রণ এক চামচ করে খেলে দুধ বৃদ্ধির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়।
  • বুকের দুধ বৃদ্ধির জন্য শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে পালং শাক, মেথি শাক, সজনে পাতা, আপেল, কমলা ও নারিকেল দুধ বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই খাবারগুলো পুষ্টির সাথে শাক-সবজি এবং ভিটামিনের অভাব পূরণ করে, যা দুধের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • সিজারের পর শরীরের আরাম ও বিশ্রাম গুরুত্বপূর্ণ। সিজারের কতদিন পর বুকে দুধ আসে, তার ওপর বিশ্রাম এবং মানসিক শান্তির প্রভাব থাকতে পারে। যথেষ্ট ঘুম ও মানসিক চাপ মুক্ত থাকার মাধ্যমে দুধের প্রবাহ বাড়ানো সম্ভব।
  • স্তনের ম্যাসাজ এবং হট কমপ্রেস দুধের প্রবাহ বাড়ানোর জন্য কার্যকর। হালকা গরম পানিতে কমপ্রেস করলে স্তনের পেশি শিথিল হয়, ফলে দুধ সহজে প্রবাহিত হয়।

কিভাবে বুঝব বাচ্চা বুকের দুধ পাচ্ছে

মায়েরা অনেক সময় চিন্তিত হন যে, তাঁদের শিশু ঠিকভাবে বুকের দুধ পাচ্ছে কিনা। বাচ্চা বুকের দুধ পাচ্ছে কিনা বুঝতে কিছু লক্ষণ রয়েছে, যেগুলো মা সহজেই লক্ষ্য করতে পারেন। শিশুর যদি সঠিক সময়ে ওজন বাড়ে এবং সে সুস্থ থাকে, তবে এটি নিশ্চিত যে বাচ্চা পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে। সঠিক গতি ও শক্তিতে স্তন্যপান করলে শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং পেট ভরে যায়। স্তন্যপান করার পর শিশুর মুখে সন্তুষ্টির লক্ষণ দেখা যায়, যেমন সে শান্ত থাকে বা স্তন ছেড়ে দেয়।

এর ফলে মা বুঝতে পারেন যে শিশুটি যথেষ্ট দুধ পেয়েছে। তাছাড়া বুকের দুধ খাওয়ার পর শিশুর মূত্র ও মলত্যাগের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, যা তার দুধ গ্রহণের পরিমাণের পরিপূরক। এছাড়া সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মায়ের মনোযোগ ও সহায়তা। মা যতটা শিশুর প্রতি মনোযোগী হবেন এবং সঠিক সময়ে তাকে স্তন্যপান করাবেন, ততটাই দুধ গ্রহণের প্রক্রিয়া মসৃণ হবে।

বাচ্চা বুকের দুধ খেতে না চাইলে করনীয়

বাচ্চা বুকের দুধ খেতে না চাওয়া একটি সাধারণ সমস্যা। তবে এটি মায়ের জন্য বেশ উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিভিন্ন কারণে শিশুরা বুকের দুধ খেতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে। তবে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। যদি মা ধৈর্য্য সহকারে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করেন। সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় অনেক মায়েরা এই সমস্যায় পড়েন।

কারণ সিজারের পর শিশুকে স্তন্যপান করানো একটু কঠিন হতে পারে। তাই কিছু প্রাকৃতিক পদ্ধতি অবলম্বন করলে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো সহজ হতে পারে। বাচ্চার সাথে আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করা জরুরি। শিশু যখন অস্বস্তিতে থাকে বা মানসিক চাপ অনুভব করে, তখন সে বুকের দুধ খেতে চাইবে না। শিশুকে শান্ত ও আরামদায়ক স্থানে বসিয়ে বা শুইয়ে বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

কিছু শিশু মায়ের কোলেই ভালোভাবে দুধ খায়, তাই মায়ের কোলে শিশুকে রাখতে সাহায্য করতে পারে। শিশুকে নিয়মিত বুকের দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা উচিত, এমনকি সে না খেতে চাইলেও। শিশুকে বারবার বুকের দুধ দেওয়ার মাধ্যমে তার আগ্রহ ফিরে আসতে পারে। যদি শিশুটি প্রথমে না খায়, তবে কিছু সময় পরে আবার চেষ্টা করুন।

কখনো কখনো শিশুর মুখ সঠিকভাবে স্তনের সঙ্গে সংযুক্ত না থাকলে সে দুধ খেতে পারে না বা খেতে চায় না। সঠিকভাবে স্তন ধরানো শিখতে মা বা পরিবারের সদস্যদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। অন্যদিকে সিজারের কতদিন পর বুকে দুধ আসে এটি অনেক সময় নির্ভর করে মা ও শিশুর ধৈর্য ও চেষ্টা অনুসারে।

তাছাড়া মায়ের যদি স্তনের সমস্যা থাকে বা দুধ কম আসে, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। মায়ের মনোভাবও শিশুতে প্রভাব ফেলে। যদি মা দুশ্চিন্তা করেন বা স্ট্রেস নেন, তা শিশুর আচরণে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই মায়ের মানসিক শান্তি বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

লেখকের মন্তব্য

আশা করি আজকের পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা সকলে সিজারের পর বুকে দুধ না আসলে করনীয় তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষাপটে আপনাদের যদি কোন প্রশ্ন বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ মতামত আমাদের জানানোর থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন এবং আমাদের পোস্টটি শেয়ার করার মাধ্যমে আপনার পরিবার এবং পরিজনের সকলকে সিজারের পর মায়ের বুকে দুধ না আসার কারণ, দুধ বৃদ্ধির ঘরোয়া উপায় এবং বাচ্চা বুকের দুধ খেতে না চাইলে করনীয় সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্যগুলো জানার সুযোগ করে দিন।
ধন্যবাদ

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url