ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে? জেনে নিন
ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত দিন লাগে এ বিষয়টি সম্পর্কে যদি আপনার না জানা থাকে তাহলে আজকের এই আলোচনার মাধ্যমে জেনে নিন। যে সকল ব্যক্তিরা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছেন তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেল। দেরি না করে আসুন জেনে নিন।
এছাড়াও এই আর্টিকেলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কেমন সে বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাই আর কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।
ভূমিকা
ডিজিটাল মার্কেটিং হল অনলাইন জগতে অনেক বিশাল বড় প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রতিনিয়ত মানুষ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছেন। যদিও অনেকে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার জন্য অনেক বেশি আগ্রহ প্রকাশ করেন কিন্তু অনেকেই এই সেক্টরে এসে সঠিকভাবে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে না। তার একটাই কারণ সেটি হলো সঠিক দিক নির্দেশনা কিংবা উদ্দেশ্য পায় না। তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কেমন এ বিষয়গুলো আলোচনা করার পাশাপাশি আপনাদের আরও ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেবো। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে
অনেকেই রয়েছে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে হলে আপনাকে বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করতে হবে। এবং ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত দিন সময় লাগবে তা সঠিকভাবে জানতে পারবেন। সাধারণত ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে ছয় মাস থেকে দুই বছর সময় পর্যন্ত লাগতে পারে।
তবে এক এক মানুষের একেক ধরনের সময় লাগে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রধান কাজ হচ্ছে এসইও। আর এই এসইও শিখতে আপনার ন্যূনতম তিন মাস থেকে এক বছর সময় লাগবে। ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চাইলে আপনি অনলাইন কোর্স কলেজ ডিগ্রি কিংবা অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং সার্টিফিকেট কোর্স করার মাধ্যমে অর্জন করতে পারেন।
কিন্তু আপনি চাইলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে আপনি অনলাইন কোর্স করেই নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবেন। তবে বড় কোন কোম্পানিতে যদি আপনি কাজ করতে চান তাহলে অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতা সার্টিফিকেট কিংবা ডিগ্রি প্রয়োজন পড়বে। তাই আপনাকে অবশ্যই কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চার বছর মেয়াদী ডিগ্রী অর্জন করতে হবে।
তাহলে আপনি অন্যদের থেকে অনেকটা এগিয়ে থাকবেন। ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে দ্রুত ইনকাম করার চিন্তাভাবনা নিয়ে আসলে হবে না আপনাকে অবশ্যই পরিশ্রম সময় ও ধৈর্য দিয়ে কাজ করে ডিজিটাল মার্কেটিং এ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আশা করি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে তা সঠিকভাবে জেনে উপকৃত হয়েছেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কেমন
বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং পদ্ধতি অনুসরণ করে অনেক মানুষ তাদের ব্যবসার প্রচার শুরু করছেন। আর এই কারণে আস্তে আস্তে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঠিক এ কারণেই ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টর গুরুত্ব অনেক বেড়েই চলেছে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ব্যবসার পণ্যগুলো অন্য মানুষের নিকট পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অপরিসীম।
যদি আপনারা ভালোভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে এখানে আপনার বিভিন্ন অফার আসবে যেখানে কাস্টমারের নিকট আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন পণ্য অন্য মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং বিক্রি বৃদ্ধি করতে অনেক বেশি প্রয়োজন হয়। কিন্তু অনলাইনে ইন্টারনেট মার্কেটিং এর সহযোগিতা নিয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অধিক পরিমাণে কাস্টমার এবং প্রত্যেকটা ব্যক্তির কাছে বিজ্ঞাপন দেওয়া ও ব্যবসার বিক্রয় বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং করে প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধি করা সম্ভব।
এ কারণেই অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং করে আস্তে আস্তে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। বর্তমান সময়ে আমরা অনেকেই কমবেশি জানিনা যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কতটুকু রয়েছে। এই সেক্টরে যদি আপনি ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন তাহলে এই সেক্টরটি হতে পারে আপনার জীবনের সফলতার চাবিকাঠি। আশা করি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে এই বিষয়টি জানার পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কেমন তা সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং করে মাসে ইনকাম
বর্তমান সময় ডিজিটাল মার্কেটিং করে অনেকেই ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করছেন। তবে আপনি যদি তাদের মত করে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে অর্থ উপার্জন করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেমন আপনার দক্ষতা অভিজ্ঞতা এবং কাজের পরিমাণের ওপর। বিশেষ করে একজন দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার প্রতি মাসে ঘরে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন।
তবে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটাররা বিশেষ করে লক্ষ্যাতিক টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারে। ডিজিটাল মার্কেটিং এ ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক বেশি টাকা ইনকাম করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কিছু বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। আসুন তাহলে কি কি বিষয় দিকে মনোযোগ দিতে হবে জেনে নিন।
- আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা তৈরি করতে হবে।
- এরপর আপনার কাজের মান অনেক উন্নত করতে হবে এবং কাজের গুণগত নিশ্চিত করতে হবে যাতে করে আপনার ক্লায়েন্টরা আপনার উপর নির্ভর করতে পারে।
- এরপর আপনার নেটওয়ার্ক তৈরি করুন যাতে অন্যান্য ডিজিটাল মার্কেট এবং ক্লায়েন্টের সাথে ভালোভাবে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- তারপর আপনার দক্ষতা প্রচার করা শুরু করুন। যদি আপনার দক্ষতা এবং কাজের অভিজ্ঞতা প্রচার করতে পারেন তাহলে আপনার ক্লায়েন্টেরা আপনার কাজের জন্য প্রায় সময় কাজ দিবেন।
- ডিজিটাল মার্কেটিং একটি ক্রমবর্ধমান শিল্প আর এই শিল্পে যদি আপনি দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা মার্কেটরদের দিনদিন চাহিদা বেড়েই চলেছে। তাই যদি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে দক্ষ হন তাহলে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং করে ভালো কিছু করা আপনার জন্য সম্ভব।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য কি কি শিখতে হবে
বর্তমান যুগে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয় ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অনলাইন গ্রাহক আকৃষ্ট করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং-এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই, আপনি যদি এই ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে চান, তবে আপনাকে অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য কি কি শিখতে হবে সেই বিষয়গুলো সঠিকভাবে আলোচনা করব। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
এসইও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন): এসইও শেখা ডিজিটাল মার্কেটিং-এর প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এসইও-এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট বা ব্লগকে সার্চ ইঞ্জিনে প্রথম পৃষ্ঠায় নিয়ে আসা সম্ভব। কিওয়ার্ড রিসার্চ, অন-পেজ অপ্টিমাইজেশন, অফ-পেজ এসইও, এবং টেকনিক্যাল এসইও এই বিভাগের মূল বিষয়।
এসইএম (সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং): সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং-এর মাধ্যমে পেইড বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়। গুগল অ্যাডস-এর মতো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে কীভাবে সফলভাবে বিজ্ঞাপন তৈরি ও পরিচালনা করতে হয়, তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM): ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিঙ্কডইন, এবং টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট শেয়ার এবং বিজ্ঞাপন পরিচালনা করা ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম প্রধান দিক।
ইমেইল মার্কেটিং: ইমেইল মার্কেটিং একটি কার্যকর কৌশল, যা ব্যক্তিগতভাবে গ্রাহকদের কাছে পণ্য ও সেবা সম্পর্কে তথ্য পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।
কনটেন্ট মার্কেটিং: উচ্চমানের ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট তৈরি ডিজিটাল মার্কেটিং-এর সফলতার মূল চাবিকাঠি। ব্লগ পোস্ট, ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক, এবং পডকাস্ট কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের অংশ।
ওয়েব অ্যানালিটিক্স: গুগল অ্যানালিটিক্স-এর মতো টুল ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে এই সকল বিষয়গুলো সঠিকভাবে শিখতে হবে। তাহলে আপনি আস্তে আস্তে ডিজিটাল মার্কেটিং এ কিছু বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি
ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল কাজ হল গ্রাহকের সাথে সরাসরি এবং সহজভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা। আর এই ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবসা বিভিন্ন কৌশল এবং অবলম্বন করে পণ্য ও সেবার প্রচার করা হয় এছাড়াও গ্রাহকের সাইডে মেটাতে অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং করে বিভিন্ন কাজ উন্নতির দিকে নিয়ে যায়। অনেকেই জানতে চেয়েছেন ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ কি। তাই চলুন নিম্নে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়েছে জেনে নিন।
ব্র্যান্ড সচেতনতা বৃদ্ধি করাঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনারা ব্র্যান্ডের পরিচিতি তৈরি করতে পারবেন। এছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়া সহ আরো অন্যান্য যে ডিজিটাল প্লাটফর্ম গুলো রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করে ব্যবসার ব্র্যান্ডের নাম এবং উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করতে পারবেন এবং ভালোভাবে সে ব্র্যান্ডগুলো বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন।
লক্ষ্যভিত্তিক গ্রাহক নির্ধারণঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে গ্রাহক নির্ধারণ করা অনেকটাই সহজ হয়ে গিয়েছে। মূলত এই ব্যবসা গুলি বিভিন্ন আচরণ ডেমোগ্রাফিকসএবং আগ্রহের ওপর ভিত্তি করে লক্ষাধিক বিজ্ঞাপন তৈরি করতে পারে। এটি শুধুমাত্র অন্যান্য কাজের জন্যও নয় এটি ব্যবসা কে সঠিক সময়ে সঠিক লোকদের কাছে পৌঁছাতেও বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে।
কাস্টমার এনগেজমেন্ট বাড়ানোঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এ সেক্টরে এসে আপনাকে প্রথমত গ্রাহকদের সাথে সরাসরি কিংবা ব্যক্তিকৃতভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে হবে। এটি মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং এর মূল উদ্দেশ্য। সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলগুলো ব্যবহার করে আপনারা ব্যবসার সঠিক উত্তর দিতে পারবেন গ্রাহকদের। এছাড়াও তাদের মতামত গ্রহণ করাতে পারবেন।
লিড জেনারেশনঃ লিড জেনারেশন হল গ্রাউজের কাছে প্রশ্নর একটি প্রক্রিয়া। এটি বিভিন্ন ডিজিটাল কৌশল ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানো হয়। যেমন ল্যান্ডিং পেজ ফরম পূরণ এবং বিভিন্ন অফার। এছাড়াও গ্রাহকদের তথ্য সংগ্রহ করে ব্যবসা তাদের সাথে ভালোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে এবং বিক্রয়ের জন্য সুযোগ তৈরি করে দিয়ে থাকে।
কাস্টমার রিটেনশনঃ ডিজিটাল মার্কেটিং শুধু কেবলমাত্র গ্রাহক আকৃষ্ট করার জন্য নয় বরং এটি পুরনো গ্রাহকদের ধরে রাখতেও বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। যদি আপনারা নিয়মিত কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াতে আপডেট বা বিশেষ অফারের মাধ্যমে পুরনো গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ ভালোভাবে বজায় রাখতে পারেন তাহলে আশা করা যায় পুরনো গ্রাহক গুলো আপনার সেই অন্যগুলো ক্রয় করতে উৎসাহিত হবে।
অ্যানালিটিক্স এবং ডাটা ব্যবহারঃ ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করার মাধ্যমে অনেকেই সংগৃহীত ডাটা বিশ্লেষণ করে যা ব্যবসাকে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে মূল্যায়ন করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। google আনালিটিক্স এবং অন্যান্য যে সকল গুগল এডাল্ট টুলগুলো রয়েছে সেগুলোর মাধ্যমে তাদের প্রচারণার কার্যকারিতা শুরু করেন এবং ভবিষ্যতে নতুন আরো কৌশল তৈরি করেন বলে আশা করা যায়।
প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণঃ এটি মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে ব্যবসা প্রতিযোগিতা কার্যকলাপ বিশ্লেষণ করার একটি প্রক্রিয়া। যদি আপনারা এই প্রক্রিয়াটি সহজ ভাবে বুঝতে পারেন তাহলে দিন দিন ব্যবসার উন্নতির জন্য খুবই উপকারে আসবে।
ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার
ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি আপনারা অনেকেই জানেন না। যেহেতু আপনারা জানেন না সেহেতু এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে জেনে নিতে পারেন। তাই আসুন আর দেরি না করে বিস্তারিত জেনে নিন।
ডিজিটাল মার্কেটিং মূলত ১১ প্রকার যেমনঃ-
- এসইও (SEO)
- কনটেন্ট মার্কেটিং (Content Marketing)
- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (SMM)
- ই-মেইল মার্কেটিং (Email Marketing)
- অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing)
- টেলিভিশন এডভার্টাইজিং (Television Advertising)
- রেডিও মার্কেটিং (Radio Marketing)
- সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM
- পে-পার ক্লিক (PPC)
- মোবাইল এডভার্টাইজিং (Mobile Advertising)
- ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড মার্কেটিং (Billboard Marketing)
লেখকের মন্তব্যঃ ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে
আজকের এই আলোচনা থেকে আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কতদিন লাগে এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাহিদা কেমন তা বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। যেহেতু আপনারা অনেকেই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান সেহেতু এই আর্টিকেলটি আশা করি আপনাদের অনেক উপকৃত হয়েছে। যেহেতু উপকৃত হয়েছে সেহেতু অবশ্যই আর্টিকেলে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার মতামত জানিয়ে দিতে ভুলবেন না। পাশাপাশি এই আর্টিকেলটি আপনার বন্ধু বান্ধবের কাছে শেয়ার করতে ভুলবেন না। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url