ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব? বিস্তারিত জেনে নিন

আপনি কি ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই রয়েছে যারা ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে চাই কিন্তু এ বিষয়গুলো না জানার কারণে অনেকেই পিছনে পড়ে রয়েছেন। তাই আপনারা চিন্তা না করে এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তাহলে আশা করি আপনারা জানতে পারবেন ওয়ার্ডপ্রেস কি এবং কিভাবে শিখে ক্যারিয়ার গড়ে তুলবেন।
ওয়ার্ডপ্রেস-কি-কেন-শিখব-বিস্তারিত-জেনে-নিন
শুধু তাই নয় এ আর্টিকেল একদম শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে তার সম্পূর্ণ বিস্তারিত জেনে যাবেন। তাই আর দেরি না করে আসুন আপনার মূল্যবান তথ্যগুলো সঠিকভাবে জেনে নিন।

ভূমিকা

বর্তমান সময়ে বিশ্বের মধ্যে ওয়ার্ডপ্রেস খুবই জনপ্রিয় একটি প্ল্যাটফর্ম। এখানে কোন টাকা ছাড়াই আপনি শুধু দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করে ভালো কিছু করা সম্ভব। অনেকেই ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য আগ্রহ করেন কিন্তু সঠিক দিক নির্দেশনা না জানার কারণে অনেকেই পিছুপা করেন। তাই আজকে আমি এই আর্টিকেল আপনাদের জানিয়ে দেবো ওয়ার্ডপ্রেসের ভবিষ্যৎ কি ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব এবং ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে ও ওয়ার্ডপ্রেস থেকে আপনি কেমন ইনকাম করতে পারবেন বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তাই চলুন আর দেরি না করে মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব

ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব? ওয়ার্ডপ্রেস মূলত ব্লগ ও ওয়েবসাইট তৈরির জন্য জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। এটি একটি ওয়েব পাবলিশিং অ্যাপ্লিকেশন এবং কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) যা PHP and MySQL দারা তৈরিকৃত ওপেন সোর্স ব্লগিং সফটওয়্যার। ম্যাট মুলেনওয়েগ এটি প্রথম প্রতিষ্ঠা করেন ২০০৩ সালের ২৭শে মে। এরপর ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৮১০ মিলিয়ন ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
 
যা মোট ওয়েবসাইটের ৪৩% প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি থেকেই বোঝা যায় যে ওয়ার্ডপ্রেস সাইট তৈরির জন্য কতটা জনপ্রিয়। যদি আপনি ভালোভাবে ওয়ার্ডপ্রেসের কাজ শিখতে পারেন তাহলে যে কোন ব্লগ তৈরি বা ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন এবং এই কাজটি শিখে আপনি বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ করে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

অনেক ক্লাইন্ট রয়েছে যারা তাদের চাহিদা মত ওয়েবসাইট তৈরি করতে বায়ার খুজে থাকেন। যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের উপর দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তাহলে প্রচুর পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। তাই আপনার যদি লক্ষ্য হয় ওয়ার্ডপ্রেস শিখা তাহলে অবশ্যই ভালোভাবে শিখে নিজের ক্যারিয়ার তৈরি করুন।

ওয়ার্ডপ্রেস কেন শিখবেন?

বর্তমান সময়ে ওয়ার্ডপ্রেসে সিএমএস (CMS) ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই একটি সাইট তৈরি করতে পারবেন। সেটা যে কোন সাইট হোক না কেন খুব সহজেই করে ফেলতে পারবেন। শুধু ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার নয় বহু কোম্পানিগুলো রয়েছে যেগুলো ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপারদের চাহিদা রয়েছে। তাই ওয়ার্ডপ্রেস কেন শিখা এতটা জরুরী আসুন জেনে নিন।

  • ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমান সময়ের সর্বাধিক দিয়ে জনপ্রিয় ব্লগ পাবলিশিং অ্যাপ্লিকেশন। এটি খুবই শক্তিশালী কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) যা বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৬০% ওয়েব ডেভলপার ওয়ার্ডপ্রেস পারফর্ম ব্যবহার করছেন।
  • আপনি চাইলে ওয়াডপ্রেস দিয়ে ইচ্ছামত যেকোনো ধরনের সাইট তৈরি করে নিতে পারবেন অল্প কিছু সময়ের মধ্যে। বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে ওয়ার্ডপ্রেসের চাহিদা দিন দিন অনেক বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা কোন প্রকার PHP, MySQL and HTML- এর সাধারন জ্ঞান থাকলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দ্বারা খুব প্রফেশনাল মানের পার্সোনাল ওয়েবসাইট, কোম্পানির ওয়েবসাইট, সংবাদপত্র, ক্লাসিফাইড সাইট, ই-কমার্স সাইট সহ আরো বিভিন্ন ধরনের সাইট অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তৈরি করতে পারবেন।
  • শুধু তাই নয় ওয়ার্ডপ্রেস ভালোভাবে শিখলে আপনি ই-কমার্স সাইট কিংবা বিজনেস সাইট এর সকল প্রকার ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক করছে পারবেন। এছাড়াও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস অথবা ওয়ার্ডপ্রেস থিম ডেভেলপের এত বেশি চাহিদা দিন দিন বাড়ছে সেখানে আপনি প্রচুর কাজ করতে পারবেন এবং ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
  • বিভিন্ন ওয়েব ডেভেলপ ফার্ম রয়েছে যেখানে আপনি ভালো বেতনে চাকরি করতে পারবেন। এক কথায় বললে ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলে আপনি ভালোভাবে ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারবেন। তাহলে বুঝতে পারছেন ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব বা শিখে কতটুকু উপকার রয়েছে।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে

ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে এ বিষয়টি যাদের অজানা রয়েছে তারা এই আর্টিকেলের অংশটুকু থেকে জেনে নিতে পারেন। কারণ এখানে আপনাকে সম্পূর্ণ সঠিক তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। তাই আর দেরি না করে আসুন বিস্তারিত জেনে নিন।

  • যদি আপনারা প্রতিদিন তিন থেকে চার ঘন্টা ওয়ার্ডপ্রেস শেখার জন্য সময় দেন তাহলে মিনিমাম ছয় মাস সময় লাগবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে। আসুন নিচে আমরা কিছু নিয়ম বলে দিয়েছি সেগুলো সঠিকভাবে যদি আপনি ফলো করেন তাহলে আশা করা যায় আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ভালোভাবে শিখতে পারবেন।
  • প্রথম তিন থেকে সাত দিন ওয়ার্ডপ্রেস ড্যাশবোর্ড সম্পর্কে সঠিকভাবে ধারণা নিতে হবে। ড্যাশবোর্ড এর কোথায় কি রয়েছে সবকিছু জানতে হবে।
  • এরপর একমাস ওয়ার্ডপ্রেস এর যতগুলো জনপ্রিয় ফ্রি থিমগুলো রয়েছে সেগুলোর ব্যবহার সঠিকভাবে জানতে হবে এবং কাস্টমাইজেশন করতে হবে। একটু খেয়াল করে দেখবেন সেখানে যেন প্রত্যেকটা ক্যাটাগরির থিম থাকে। যেমন এডুকেশন থিম, বিজনেস থিম, ব্লগ থিম, ই-কমার্স থিম ইত্যাদি।
  • উপরে উল্লেখিত সমস্ত জিনিসগুলো ভালোভাবে শিখে গেলে এখন এক মাস ওয়ার্ডপ্রেসের কিছু জনপ্রিয় পেজ বিল্ডার রয়েছে যেমন- এলিমেন্টর, ভিসি কম্পসার, ডিভি বিল্ডার এইগুলোর সঠিক ব্যবহার শিখতে হবে। এইগুলো ব্যবহার করে কিভাবে একটা পেজ ভালোভাবে ডিজাইন করতে হয় সেটা সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে এই এক মাসের মধ্যে।
  • এরপর ফ্রি থিম কাস্টমাইজেশন শেষ হয়ে গেলে আপনাকে দুই থেকে আড়াই মাস সময় হাতে নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেসের বৃষ্টি আলাদা আলাদা ক্যাটাগরির যে প্রিমিয়াম থিমগুলো রয়েছে সেগুলো ভালোভাবে কাস্টমাইজেশন শিখতে হবে। সাথে সাথে প্রিমিয়াম যে প্লাগিনগুলো রয়েছে সেগুলোর কাস্টমাইজেশন শিখতে হবে। প্রিমিয়াম থিম গুলো দিয়ে আপনাকে কমপক্ষে ১০ টি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে এবং সবকিছু আলাদা আলাদা ক্যাটাগরির হতে হবে। খুব যত্ন করে দশটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।
উপরের সমস্ত কাজগুলো যদি আপনি সঠিকভাবে করতে পারেন তাহলে আপনি একদম মার্কেটপ্লেস এ কাজ করার মত অবস্থানে চলে আসবেন তখন আপনাকে একটি প্রফেশনাল পোর্টফোলিও ওয়েবসাইট তৈরি করে বিভিন্ন সাইট গুলো আপলোড করে রাখতে হবে যাতে করে কোন ক্লায়েন্ট আপনার কাজ দেখে আপনাকে রেসপন্স করে এবং কাজ দেয়। আস্তে আস্তে এভাবে আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা দিয়ে ভালো টাকা ইনকাম করতে পারবেন। 

কোন ভাষায় wordpress ডেভেলপ করা হয়েছিল?

ওয়ার্ডপ্রেস বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (CMS) যা ওয়েবসাইট তৈরি এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি প্রথম ডেভেলপ করা হয়েছিল PHP প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে, যা সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং ভাষা হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। এর ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয় MySQL।

২০০৩ সালে ওয়ার্ডপ্রেসের সূচনা হয়েছিল ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। তবে এর ব্যবহারযোগ্যতা, নমনীয়তা, এবং ক্রমাগত উন্নতির মাধ্যমে এটি আজ এক বিশাল ইকোসিস্টেমে রূপান্তরিত হয়েছে। PHP এবং MySQL-এর সমন্বয় ওয়ার্ডপ্রেসকে দ্রুতগতির, নির্ভরযোগ্য এবং স্কেলেবল করে তুলেছে। এর ওপেন সোর্স প্রকৃতি ডেভেলপারদের জন্য সহজেই কাস্টমাইজ করার সুযোগ দেয়, যা ছোট থেকে বড় ব্যবসায় এবং ব্যক্তিগত ব্লগ থেকে শুরু করে ই-কমার্স ওয়েবসাইট পর্যন্ত সবকিছুর জন্য আদর্শ হয়ে ওঠে ওয়ার্ডপ্রেস।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি

গড প্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করা খুবই সহজ একটি কাজ। অনেকেই এটাকে কঠিন ভেবে বসে থাকেন কিন্তু যদি আপনি একটু বিস্তারিত আর্টিকেল থেকে জানেন তাহলে বুঝতে পারবেন ওয়ার্ডপ্রেস ডে কিভাবে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা সহজ। তাহলে আসুন জেনে নিন কিভাবে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরি করবেন।

  • প্রথমে আপনাকে ডোমিন হোস্টিং কিনতে হবে এরপর ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে হবে। এটি করার জন্য আপনাকে সি প্যানেলের একেবারে নিজের ওয়ার্ডপ্রেস লেভেল যুক্ত একটা আইকন রয়েছে সেখানে ক্লিক করতে হবে তাহলে আপনি ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার অপশন পেয়ে যাবেন।
  • এরপর আপনাকে ওয়েবসাইটের শিরোনাম ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড ও এডমিনের বিবরণ সহ ইনস্টল বোতামে ক্লিক করতে হবে তাহলে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট প্রস্তুত হয়ে যাবে। ঠিক তখন আপনাকে ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে এবং আপনার পছন্দের ইন্সটল করতে হবে।
  • এগুলো সব কিছু করার পর আপনাকে ওয়েবসাইট কাস্টমাইজ করার জন্য কিছু প্লাগিন ইন্সটল করতে হবে এরপর সামাজিক শেয়ার বোতাম টি কাস্টমার করতে হবে এগুলো সব কিছু করা হয়ে গেলে সিকিউরিটির জন্য আপনাকে বিভিন্ন সিকিউরিটি প্লাগিন ইন্সটল করে সেটআপ করতে হবে।
আপনি যদি ব্লগিং পেশা শুরু করতে চান কিংবা ঘরে বসে ব্লগিং করতে চান তাহলে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট তৈরি করে ইনকাম করা সম্ভব এছাড়াও আপনি চাইলে এখানে ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে কাস্টমাইজার যোগ্য এমনকি পরিচালনা করার জন্য খুবই সহজ করে তোলে। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো অন্য CMS-এ কাজ করার জন্য আপনাকে টাকা প্রদান করতে হবে, কিন্তু WordPress CMS সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, একটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার।

ওয়ার্ডপ্রেস এর সুবিধা

  • ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের সুবিধা হল এটি সম্পূর্ণ ফ্রি একটি সিএমএস (CMS) যা ব্যবহার করলে আপনাকে কোনরকম টাকা প্রদান করতে হবে না। শুধু ব্লক না আপনি যে কোন সাধারণ ওয়েবসাইট কিংবা প্রফেশনাল ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারবেন ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে।
  • এছাড়াও আপনি চাইলে খুব সহজে থিম পরিবর্তন করার মাধ্যমে ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগের ডিজাইন পরিবর্তন করতে পারবেন। কাস্টমাইজ এর মাধ্যমে খুব সহজে যেকোনো পার্সোনাল ব্লগ অথবা ওয়েবসাইটের ডিজাইন এডিট মডিফাই করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেস এর সকল ধরনের এডভান্স ফাংশন পেয়ে যাবেন যেগুলো ব্যবহার করে আপনি গুগলে রেঙ্কে তুলতে পারবেন। এছাড়াও এখানে বিভিন্ন ফ্রি থিম অথবা পেট থিম ও প্লাগিন পেয়ে যাবেন যেগুলো ব্যবহার করে খুব সহজেই ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ফাংশন বৃদ্ধি করতে পারবেন।
  • ওয়ার্ডপ্রেসে যে কোন ধরনের মিডিয়া ফাইল ভিডিও ছবি অডিও আপলোড করতে পারবেন এছাড়াও এখানে কোন কোডিং এর ঝামেলা নেই খুব সহজে ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজ কি

সহজেই কনটেন্ট তৈরি এবং পরিচালনাঃ আপনি চাইলে যে কোন পোস্ট মিডিয়া ফাইল পেজ ওয়ার্ডপ্রেসে যোগ করতে পারবেন এবং সেগুলো ভালোভাবে পরিচালনা করতে পারবেন।

কাস্টমাইজেশনঃ ওয়ার্ডপ্রেসে হাজার হাজার থিম এবং প্লাগিন রয়েছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজে ওয়েবসাইট নিজের ইচ্ছামত কাস্টমাইজ করতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO): যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেসে ভালোভাবে এসিও ফ্রেন্ডলি অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিনে খুজে পেতে চান তাহলে অবশ্যই এসেও ভালোভাবে অপটিমাইজেশন করতে হবে।

সুরক্ষাঃ ওয়ার্ডপ্রেস একটি নিরাপদ প্ল্যাটফর্ম। ওয়ার্ডপ্রেস সুরক্ষা রাখার জন্য আপনাকে প্রতিদিন বিভিন্ন ফাংশন আপডেট করতে হবে এবং ভালোভাবে এর সিকিউরিটি প্লাগিনগুলো সেটআপ করতে হবে যাতে করে কেউ আপনার ওয়ার্ডপ্রেস হ্যাক করার চেষ্টা করতে না পারে।

ওয়ার্ডপ্রেস কি ধরনের প্লাটফর্ম

ওয়ার্ডপ্রেস হলো একটি ওপেন সোর্স প্ল্যাটফর্ম যা ব্যবহার করে একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট এবং ওয়েবসাইটে নানা ধরনের কনটেন্ট সংরক্ষণ করা যায়। শুধু তাই নয় ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে সাইট তৈরির জন্য কোনরকম কোডিং করার প্রয়োজন হয় না। এটি শুধুমাত্র ডোমেইন এবং হোস্টিং ব্যবহার করে বিনামূল্যে কোন ধরনের ওয়েবসাইট তৈরি করে অর্থ উপার্জন করা যায়।

শেষ কথা | ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব

প্রিয় বন্ধুরা আশা করি ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা ওয়ার্ডপ্রেস কি কেন শিখব বা শিখবেন এবং ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে কতদিন লাগে এ বিষয়গুলো আশা করি জানতে পেরেছেন। আপনারা যারা এই আর্টিকেলটি পড়ে উপকৃত হয়েছেন তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলের নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না। কারণ আপনার মতামত আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তাই অবশ্যই কমেন্ট করে জানিয়ে যাবেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url