ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জেনে নিন
আপনি কি ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? যদি আপনারা এ বিষয়টি সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কারণ এই আর্টিকেলে যে বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে সেটি আপনার জানা অত্যন্ত জরুরী। অনেকে ড্রাগন ফল খেতে পছন্দ করেন কিন্তু উপকারিতার পাশাপাশি কি কি ক্ষতির দিক রয়েছে সেটা যদি না জানেন তাহলে হয়তো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। দেরি না করে আসুন বিস্তারিত জেনে নিন।
এছাড়াও এই আর্টিকালের ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। যদি আপনাদের এ বিষয়টিও অজানা থাকে তাহলে এই আর্টিকেল সম্পূর্ণ পড়ে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন। তাই আর দেরি না করে আপনাদের মূল্যবান তথ্যগুলো সঠিকভাবে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে জেনে নিন।
ভূমিকা
আমাদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছে যারা ড্রাগন ফল খেতে পছন্দ করেন। ড্রাগন ফল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। যদি আপনারা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান তাহলে এই ড্রাগন ফল খেতে পারেন। ড্রাগন ফলে যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা আমাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। ড্রাগন ফলের উপকারিতা অত্যন্ত বেশি। কিন্তু পাশাপাশি কিছু ক্ষতিকর রয়েছে। তাই আজকে আমি এই আর্টিকেলে ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক এবং ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আপনারা যারা এ বিষয়গুলো জানতে চান তারা অবশ্যই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ
ড্রাগন ফলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি গ্রহণ যা হয়তো আপনারা অনেকেই জানেন না। আজকে আমি আপনাদের ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। ড্রাগন ফল ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ একটি ফল। এই ফলের ক্যালরির মাত্রা তুলনামূলক অনেক কম তবে যথেষ্ট পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। ১৩৬ গ্রাম ক্যালোরি, শূন্যমাত্রা ফ্যাট ৩ গ্রাম প্রোটিন ৮% আইরন ৭ গ্রাম হাইবার ১৮ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম ৯ শতাংশ ভিটামিন সি এবং ৪ শতাংশ ভিটামিন ই।
এর ফলটি হলো এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল। এতে ফেনোলিক এসিড ফ্ল্যাভোনয়েড, এবং বিটাসিনের মত এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই প্রাকৃতিক পদার্থ গুলো আপনার কোষগুলোকে ফ্রি রেডিকেলের হাত থেকে রক্ষা করতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। এখন চলুন জেনে নেওয়া যাক ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।
ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা
ড্রাগন বিদেশি ফল হলেও দিন দিন এই বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়তা হয়ে উঠছে। এই ড্রাগন ফল আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে পাশাপাশি ড্রাগন ফল বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করে। এই ড্রাগন ফল বেশ কার্যকরী এবং উপকার। ড্রাগন ফলের অনেক উপকারিতা রয়েছে। আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে ড্রাগন ফল উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
ওজন কমাতে সাহায্য করেঃ যেহেতু ড্রাগন ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাই এটি খেলে ওজন বজায় রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে। এই ড্রাগন ফলে ৮০ শতাংশই পানি রয়েছে। এই ডাবল ফল এমন একটি ফল যেখানে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা আপনার অন্ত্রের অন্ত্রের গতিবিধিকেও সঠিক নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করবে।
ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ঃ ড্রাগন ফল ক্যান্সারের সঙ্গে অনেক লড়াই করে। এই ড্রাগন ফলে ক্যারোটিন নামক একটি উপাদান থাকে যা আপনার সরে থাকা টিউমারকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।
কোলেস্ট্রোরেল কমায়ঃ ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে আমাদের শরীরে কোলেস্টরেল মাত্রা কমে যায় এবং ভালো কোলেস্টরেলের মাত্রা বৃদ্ধি হয়। শুধু তাই নয় ড্রাগন ফল খাওয়ার ফলে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখতেও সাহায্য করে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে প্রতিদিন মাত্র একটি করে ড্রাগন ফল খেলে কোলেস্টেরলের মাত্রা ৪.৪% কমে এবং যারা প্রতিদিন ২ করে ড্রাগন ফল খেয়ে থাকে তাদের প্রায় ৯.৪% কমে।
হৃদযন্ত্র ভালো রাখেঃ যদি প্রতিদিন পরিমাণ মতো ড্রাগন ফল খাওয়া যায় তাহলে হৃদ গ্রন্থ ভালো থাকে। এর ড্রাগন ফল উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থেকে অনেকটাই কমিয়ে নিয়ে আসতে সাহায্য করে।
বয়সের চাপ দূর করতেঃ বয়স্কের ছাপ দূর করতে এবং ত্বকের দৃঢ় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে প্রয়োজন পড়ে এন্টি অক্সিডেন্টের। আর এটি পাওয়া যায় ড্রাগন ফলে। আপনারা চাইলে ড্রাগন ফল খেয়ে বয়সের ছাপ দূর করতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারেন।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করেঃ একটি ড্রাগন ফলে প্রায় সাত গ্রাম ফাইবার থাকে যা দৈনন্দিন খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয় এবং আরো বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তাহলে বুঝতেই পারছেন আপনারা ড্রাগন ফল কতটা উপকারী।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধেঃ ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে হাঁস রয়েছে ফলে এটি খেলে রক্তের শর্করার পরিমাণ অনেকটা স্থিতিশীল হয়ে যায়। শুধু তাই নয় এটি প্রতিদিন খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিসের সমস্যাও অনেকটা দূর হয়ে যায়। বয়স বৃদ্ধি হওয়ার সাথে সাথে ক্যান্সার থেকে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে এই ড্রাগন ফল। গর্ভবতী মায়েদের জন্য এটি অনেক উপকারী ও সুস্বাদু ফল।
হজমে সহায়কঃ যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা চাইলে ড্রাগন ফল প্রতিনিয়ত পরিমাণমতো খেতে পারেন। কারণ এতে পরিমাণ অনেকটা বেশি থাকার কারণে হজম প্রক্রিয়া ঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ফলে বদহজমের সমস্যাও দূর হয়ে যায়।
রক্ত চলাচল বজায় রাখেঃ সারা বিশ্বে অতি পরিচিত পুষ্টির ঘাটতি হলো আয়রনের ঘাটতি। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা অনেক বেশি লক্ষ্য করা যায়। মাছ-মাংস ডাল বাদাম এইসব জাতীয় খাবারে অধিকাংশ আয়রন পাওয়া যায় কিন্তু যদি আপনারা ফলের দিকে আসেন তাহলে ড্রাগন ফলে আপনি আয়রন পেয়ে যাবেন। আর এই আইরন আপনার শরীরের রক্ত চলাচল সঠিকভাবে বজায় রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করবে।
চুলপড়া প্রতিরোধ করেঃ আয়রনের ঘাটতির কারণে অনেক মানুষের চুল পড়ার সমস্যাও হতে পারে। যদি আপনার শরীরে আয়রনের ঘাটতি পরে তাহলে রক্তস্বল্পতার অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিতে পারে যেমন ত্বকের বিবর্ণতা অত্যাধিক ক্লান্তি মাথা ব্যাথা ইত্যাদি। তাই যদি আপনি নিয়মিত ড্রাগন ফল খেতে পারেন তাহলে এ ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।
ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক
আমরা সকলেই জানি সবকিছুর যেমন সুবিধা রয়েছে ঠিক তেমনি অসুবিধা রয়েছে। ঠিক একই রকম ড্রাগন ফল খাওয়া আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো ঠিক তেমনি প্রচুর পরিমাণে ড্রাগন ফল খেলে কিছু সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই আসুন কিছু ড্রাগন ফলের অপকারিতা জেনে নেওয়া যাক।
- যদি আপনারা অতিরিক্ত পরিমাণে ড্রাগন ফল খেয়ে থাকেন তাহলে এলার্জির সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- শুধু তাই নয় অতিরিক্ত পরিমাণে ড্রাগন ফল খেলে আপনার ডায়েরি ও হতে পারে।
- এছাড়াও পরিমাণের থেকে অনেক বেশি ড্রাগন ফল খেলে রক্তচাপ এবং আরো বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই ড্রাগন ফল খাওয়ার আগে অবশ্যই জেনে বুঝে খাওয়া উচিত।
- ড্রাগন ফল কিছু ওষুধের সাথে যোগাযোগ করতে পারে তাই যারা উচ্চ রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিসের মত অবস্থায় ওষুধ সেবন করেন তারা ড্রাগন ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। আশা করি ড্রাগন ফলের উপকারিতার পাশাপাশি ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কেও সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।
ড্রাগন ফলের দাম কত
ড্রাগন ফলের দাম সাধারণত মানের উপর নির্ভর করে। কারণ যত ভালো কোয়ালিটির ড্রাগন ফল তত বেশি দাম বৃদ্ধি। তাছাড়া বাংলাদেশে এই ড্রাগন ফলের উৎপাদন অনেকটাই কম। বেশিরভাগ এই ড্রাগন ফল বাইরের দেশ থেকে আমদানি করতে হয়। যার কারণে এই ড্রাগন ফলের দাম অত্যন্ত বেশি। বিভিন্ন বাজারে বর্তমান সময়ে সাধারণ কোয়ালিটির ড্রাগন ফলের দাম মূলত ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা।
তাছাড়া যদি আপনি একটু ভালো কোয়ালিটি ড্রাগন ফল কিনতে যান তাহলে সেই ড্রাগন ফলের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে পড়বে। তবে এই সকল দাম গুলো একেক জায়গায় একেক রকম হতে পারে। তাই যখন আপনি ড্রাগন ফল কিনতে যাবেন তখন অবশ্যই কিছু দোকান জিজ্ঞেস করে তারপর ভালো কোয়ালিটির ড্রাগন ফল কিনার চেষ্টা করবেন।
ড্রাগন ফল খাওয়ার সঠিক সময়
সাধারণত সকল রকমের খাবার খাওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। সকালের নাস্তা থেকে শুরু করে দুপুরের খাবার, রাতের খাবার অথবা মুখরোচক খাবারগুলোর সঙ্গে ফলমূল জাতীয় সকল খাবার গুলোর উপযুক্ত সময় রয়েছে তবে আপনি ড্রাগন ফল খাওয়ার সঠিক সময় নির্ধারণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যদি আপনি সঠিক সময়ে ড্রাগন ফল না করেন তাহলে তার স্বাস্থ্যকর যে উপকার রয়েছে সেটুকু থেকে কমতি রয়ে যেতে পারে।
যেহেতু এখানে ড্রাগন ফলের প্রসঙ্গ চলে এসেছে সেহেতু এটা সঠিক নিয়ম রয়েছে। এই ফলটি খাওয়ার উপযুক্ত সময় হল সকালের নাস্তার সাথে এবং রাতে। যদি আপনি সকালে ড্রাগন ফল খান তাহলে আপনার প্রোটিনের সরবরাহ বৃদ্ধি পেতে সাহায্য করবে। আপনারা চাইলে সরাসরি ফল কিংবা ড্রাউন ফলের জুস বানিয়েও খেতে পারবেন।
এতে করেও অনেক পুষ্টি উপাদান পাবেন। তাছাড়া আপনারা চাইলে রাতের খাবারের পর ড্রাগন ফল খেতে পারেন। এটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই নিরাপদ এবং উপকারী। যদি আপনারা রাতে ঘুমানোর আগে ড্রাগন ফল খান তাহলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ঘুমের জটিলতা দূর করতেও সাহায্য করবে।
ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম
ড্রাগন ফল খাওয়ারও সঠিক নিয়ম রয়েছে অনেকের ড্রাগন ফল খেতে পছন্দ করেন কারণ ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। এতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অনেক কম থাকার কারণে এ ড্রাগন ফল খেলে ওজন বাড়া তেমন কোনো আশঙ্কা থাকে না।
এছাড়াও এই ড্রাগন ফলে ওমেগা ফ্লাটি এসিড বিটাকারিটিন এবং প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে তাই এটি আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। ড্রাগন ফল খাওয়ার নিয়ম হচ্ছে খোসা ফেলে জুস করে কিংবা এমনিতেও খাওয়া যেতে পারে। আবার চাইলে সালাত হিসেবেও খেতে পারেন।
ড্রাগন ফল খেলে কি গ্যাস হয়
ড্রাগন ফলআজকাল বেশ জনপ্রিয় একটি ফল। এর পুষ্টিগুণ, স্বাদ এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী উপাদানগুলো অনেকের কাছেই এটি প্রিয় একটি ফল হয়ে উঠেছে। তবে, ড্রাগন ফল খাওয়ার পর অনেকেই একটি সাধারণ প্রশ্ন করে থাকেন যে ড্রাগন ফল খেলে কি গ্যাস হয়? পুষ্টিবিদদের মতে, ড্রাগন ফলে রয়েছে প্রচুর ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন, যা হজম প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে সহায়তা করে।
তবে, অতিরিক্ত ফাইবার গ্রহণ অনেক সময় কিছু মানুষের পেটে গ্যাস বা অস্বস্তি সৃষ্টি করতে পারে। এটি নির্ভর করে ব্যক্তির হজম ক্ষমতা এবং খাদ্যাভ্যাসের ওপর। অনেকে যখন নতুন কোনো ফল বা খাবার তাদের ডায়েটে যোগ করেন, তখন শরীরের প্রতিক্রিয়া ভিন্ন হতে পারে। ড্রাগন ফল সাধারণত খুবই হালকা এবং সহজে হজমযোগ্য একটি ফল। তবে, যদি কেউ অতিরিক্ত পরিমাণে এটি খান, সেক্ষেত্রে সামান্য গ্যাস বা ফোলাভাব হতে পারে।
যদিও ড্রাগন ফল হজমের জন্য সহায়ক, তবে যারা হজমজনিত সমস্যায় ভুগছেন বা যাদের সংবেদনশীল পেট রয়েছে, তারা প্রথমে এটি কম পরিমাণে খাওয়া শুরু করতে পারেন। ধীরে ধীরে দেহ এটি মানিয়ে নেবে এবং সমস্যার সম্ভাবনা কমে যাবে। ড্রাগন ফল খাওয়ার উপকারিতা যেমন ওজন নিয়ন্ত্রণ, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি, এবং ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করা তেমনি এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা প্রতিরোধেও সহায়ক হতে পারে। তাই, এটি খাওয়ার সময় পরিমিতি বজায় রাখুন এবং দেহের প্রতিক্রিয়ার প্রতি নজর দিন।
লেখকের মন্তব্যঃ ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক
প্রিয় পাঠক আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা ড্রাগন ফলের ক্ষতিকর দিক এবং ড্রাগন ফলের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আশা করি জানতে পেরেছেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা যারা একটু উপকৃত হয়েছেন তাদের কাছে আমার একটাই অনুরোধ এই আর্টিকেলে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানিয়ে রাখবেন। পাশাপাশি নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। বন্ধুরা আপনারা যারা সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়েছেন তাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url