দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে? বিস্তারিত জেনে নিন

প্রিয় বন্ধুরা দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে এই সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? তাহলে আর দেরি না করে এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কারন আপনি যে বিষয়টি খুঁজে বেড়াচ্ছেন সেই বিষয়টি আজকে আমরা এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। তাই আশা করি আপনাদের জন্য এই আর্টিকেলটি অনেক উপকৃত হতে চলেছে। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
দুপুরে-ঘুমালে-কি-ওজন-বাড়ে-বিস্তারিত-জেনে-নিন
ঘুম আমাদের শরীরে অনেক বেশি প্রয়োজন নেই। সারাদিনের মধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম একটা মানুষের যথেষ্ট। এই আর্টিকেলের অংশটুকু পড়লে আপনারা দুপুরে খাওয়ার কতক্ষণ পর ঘুমানো উচিত এ বিষয়টিও জেনে যাবেন। যেহেতু আপনারা এই আর্টিকেলটি পড়ে সুবিধা পাচ্ছেন সেহেতু অবশ্যই সম্পূর্ণ আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

ভূমিকা

দুপুরে ঘুমানোর একটাই কারণ সেটা হলো আমাদের শরীর বিশ্রাম করা। ঘুম আমাদের মানসিক চাপ কমায়, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, এবং দিনের বাকি সময়টি আরও প্রোডাক্টিভ করে তোলে। তবে অনেকের মধ্যে একটি সাধারণ প্রশ্ন রয়েছে দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে? এই প্রশ্নের উত্তর জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত যারা নিজেদের ওজন বা স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন। তাই তাদের উদ্দেশ্যেই আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে এবং দুপুরে খাওয়ার কতক্ষণ পর ঘুমানো উচিত তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে মূল অংশে যাওয়া যাক।

বেশি ঘুমালে কি মানুষ মোটা হয়

ঘুমের সঙ্গে ওজনের একটি সম্পর্ক আছে বলে মনে করা হয়। বিশেষ যারা যারা অতিরিক্ত ঘুমায় তাদের ওজন বাড়ে এমন কথায় অনেক মানুষের মুখে শুনে থাকবেন। তবে দুপুরে ঘুম স্বাস্থ্যের জন্য উপকার নয় বা এটি মোটা হওয়ার অনেকটাই ধারণা করা যায়। কেউ কেউ আবার বলেন শরীরে মেঘ বেশি হলেও ঘুম বেশি পায়। তাই চলুন আর দেরি না করে গবেষণায় কি বলেছে আসলে এটি কতটুকু সত্যি তা সঠিকভাবে জেনে নিন।

গবেষণা বলা হয়েছে যে কম ঘুমালে মানুষের শরীরে অতিরিক্ত মেদ বাড়ার কারণ হতে পারে। কারণ যারা দিনে ৬ ঘন্টা ঘুমান তাদের কোমর এবং চারা প্রতিদিন ৯ ঘণ্টা ঘুমান তাদের কোমরের তুলনায় তিন সেন্টিমিটার বেশি। তাহলে বুঝতেই পারছেন কম ঘুমালে ওজন বেশি বাড়ে। এছাড়াও গবেষণায় আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে সকল মানুষেরা পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমাবে তাদের ডায়াবেটিসের মতো অসুখের সমস্যা বেড়ে যাবে। 

তাই প্রত্যেক মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার উপর নির্ভর করে তার ঘুম কতটুকু প্রয়োজন। নয়তো বেড়ে যেতে পারে ওজন। তাই শরীরে বাড়তি মেদের জন্য কখনোই ঘুমকে দায়ী করা যাবে না। তবে প্রত্যেকটা মানুষেরই পর্যাপ্ত ঘুমানো উচিত। এমনটাই বলেছেন কিছু কিছু গবেষকরা।

মোটা হওয়ার কারণ কি

শরীর মোটা হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক মানুষ রয়েছে যারা খুবই স্বাস্থ্য সচেতনতা অবলম্বন করেন। কিন্তু আমাদের মধ্যে এমন অনেকের রয়েছে যারা অতিরিক্ত মোটা। কিন্তু এই মোটা হওয়ার কারণ কি তা অনেকেই জানেন না। আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে মোটা হওয়ার কিছু কারণ উল্লেখ করেছি। আশা করি আপনারা এই উল্লেখিত কারণগুলো জেনে বুঝতে পারবেন কেন আপনি অত্যাধিক মোটা হচ্ছেন। তাহলে আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।

  • মোটা হওয়ার অন্যতম কারণ হলো অলসতা। বিষয়টি জেনে হয়তো অবাক হতে পারেন কিন্তু আসলে এটাই সত্য। লক্ষ্য করলে দেখবেন যে সমস্ত ব্যক্তিরা বাস্তবতার মধ্যে জীবন যাপন করেন সারাদিন কাজে ব্যস্ত থাকেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় কম মোটা হন। অর্থাৎ খাবার যেমন আমাদের শরীরে ক্যালরি এবং উপাদান তৈরি করে ঠিক তেমনি মাত্র ঠিক রাখার জন্য আমাদের কাজ করা প্রয়োজন পড়ে। সেই ক্যালোরি খরচ করলেই তবেই আমরা সুস্থ থাকতে পারবো। কিন্তু খেয়াল করলে দেখবেন দিনের বেশিরভাগ সময়টাই কোন রকম পরিশ্রম না করে কাটালে সে ক্যালরি জমে যায় ফলে আপনার মোটা হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
  • শরীর মোটা হয়ে যাওয়ার জন্য শুধুমাত্র জীবনযাত্রাকে দায়ী করলে হবে না। এটা আপনার পরিবেশের প্রভাব অনেকটাও নির্ভর করে। তাই এদিকেও আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • এছাড়াও কিছু কিছু মানুষের জিনগত কারণেও মোটা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • এছাড়া যাদের হরমোনের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যও অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।
  • বয়স হওয়ার সাথে সাথে আপনার শরীরে বেশিগুলি ক্রমশ অক্ষম হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ক্যালরি জমতে থাকে। আর এ কারণেই আপনার মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
  • কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার কারণেও মোটা হয়ে যেতে পারেন।
  • মোটা হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো কম ঘুম। অনেক মানুষ রয়েছে যারা পর্যাপ্ত পরিমাণে না ঘুমানোর কারণে ওজন বেড়ে যায়।
  • তবে যে সকল মহিলারা অন্তঃসত্ত্বা রয়েছেন তাদের ওজন বৃদ্ধি হবে এটাই স্বাভাবিক। এদের সন্তানের শারীরিক গঠন হতে থাকে। কিন্তু সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মহিলাদের ওজন কমাতে এবং মোটা ভাব কমাতে অনেকেই সমস্যায় পড়ে যান। মূলত এগুলো হলো মোটা হওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ।

দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে

ঘুমের কখন সময়? এই প্রশ্নটি উত্তর প্রত্যেকটা মানুষেরই জানা রয়েছে। ঘুমের সময় হলো রাত। কিন্তু আমাদের মধ্যে অনেকে রয়েছে যারা দুপুরে ঘুমায়। কিন্তু কেন? অবশ্য দুপুরে অনেক মানুষেরই ঘুমানোর সুযোগ হয় না। যারা সবসময়ই বাসায় থাকেন কিংবা দুপুরের সময় বাড়িতে থাকেন তারা অনেকেই দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন। কিন্তু এই দুপুরে ঘুম কি উপকারি? না ক্ষতিকর চলুন আজকের আজকের এই আর্টিকেল থেকে জেনে নেই।

দুপুরের সময় কাজ কাম করে এসে কিছুটা সময় বিশ্রাম নিলে অনেকেরই ভালো লাগে কিন্তু এর বেশ কয়েকটি ক্ষতিকর দিক রয়েছে এমনটাই বলেছেন অনেক বিশেষজ্ঞরা। যদি আপনারা দুপুরে ঘুমের অভ্যাস তৈরি করেন তাহলে বিভিন্ন ক্ষতির সৃষ্টি করতে পারে। কিছু কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে যাদের দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস রয়েছে তাদের কোলেস্টরেল ডাইবেটিস এবং হার্টের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি থাকে। 

দুপুরে ঘুমালে এ ধরনের সমস্যা আরো অনেক বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অতিরিক্ত কোন কিছুই ভালো নাই ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ঘুম আপনার শরীরের জন্য মোটেও ভালো নয়। আপনি যদি দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস তৈরি করেন তাহলে স্বাভাবিকভাবে রাতে আপনার ঘুমের ঘাটতি পড়ে যাবে। আর যখনই আপনার রাতে ঘুমের ঘাটতি পড়ে যাবে ঠিক তখনই আপনার শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হবে। 

তাই রাতে নিয়ম করে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো একজন মানুষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস তৈরি করা উচিত। দিনের বেলায় যতটা সম্ভব ঘুমকে এড়িয়ে বিভিন্ন কাজ-কাম করার চেষ্টা করতে হবে। এতে করে আপনার শরীর অনেকটাই সুস্থ থাকবে।

অনেকে মনে প্রশ্ন আসে দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে? তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই। সেটা হল যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তারা অবশ্যই দুপুরের ঘুম এড়িয়ে চলবেন। কারণ দুপুরে ঘুমালে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি আপনি দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস করেন তাহলে আপনার মেটাবলিজম আস্তে আস্তে কমে যাবে ফলে আপনার ওজন বেড়ে যাবে। 

সেই সঙ্গে বাড়বে আপনার ভুড়িও। এছাড়াও যারা হজমের সমস্যায় ভুগছেন তারাও কখনো দুপুরবেলা ঘুমাবেন না। তাহলে আশা করি দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে এই বিষয়টি সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন।

দুপুরে খাওয়ার কতক্ষণ পর ঘুমানো উচিত

দুপুরের খাবার খাওয়ার পর ঘুমানো একটি প্রাচীন অভ্যাস, যা আজও অনেকের জীবনের অংশ। তবে এর সময় ও প্রভাব সম্পর্কে জানা আমাদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক সময়ে ঘুমালে আমাদের শরীর ও মন উভয়ের জন্যই উপকারী হতে পারে, আবার ভুল সময়ে ঘুমালে স্বাস্থ্যগত সমস্যাও হতে পারে।

দুপুরে খাবার খাওয়ার পরে অন্তত ৩০ মিনিট অপেক্ষা করা উচিত ঘুমানোর আগে। এতে করে খাবার হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি বা বুকজ্বলার মতো সমস্যা দূর করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, খাবারের পরে শরীরের রক্তপ্রবাহ হজম প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত থাকে। এই সময় ঘুমালে হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে। তাই, খাবারের পরে একটু হাঁটাহাঁটি করা এবং শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। 

দুপুরে ঘুমালে কি ক্ষতি হয়

দুপুরে ঘুমানো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ক্লান্তি কমাতে এবং মনোযোগ বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে। তবে, যদি এটি নিয়মিত বা দীর্ঘ সময় ধরে হয়ে যায়, তখন তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। অনেকেই জানেন না যে দুপুরের ঘুমের কিছু নেতিবাচক প্রভাবও থাকতে পারে। 

বিশেষত যখন এটি অতিরিক্ত বা অনিয়মিত হয়। তাই আপনাদের সুবিধার্থে আজকে আমি দুপুরে ঘুমালে কি ক্ষতি হয় তা সঠিকভাবে জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। তাহলে আসুন আর কথা না বেড়ে মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

রাতের ঘুমের ব্যাঘাতঃ দুপুরে বেশি সময় ধরে ঘুমালে রাতের ঘুমের চক্রে সমস্যা দেখা দেয়। এতে করে শরীরের স্বাভাবিক সার্কাডিয়ান রিদম ব্যাহত হয় এবং রাতে ঘুম আসতে দেরি হতে পারে। দীর্ঘদিন দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে আপনার শরীরে আরও বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।

অলসতা এবং ক্লান্তিঃ যদি দুপুরের ঘুম ৩০ মিনিটের বেশি সময় ধরে হয়, তাহলে ঘুম থেকে ওঠার পর অলসতা এবং ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে। এটি সাধারণত স্লিপ ইনর্শিয়া নামে পরিচিত।

ওজন বৃদ্ধিঃ আপনি যদি দুপুরে দীর্ঘ সময় ধরে ঘুমান তাহলে আপনার শারীরিক কার্যকলাপ কমে যাবে যা মেটাবলিজম ধীর করে দিতে পারে। এর ফলে অতিরিক্ত ক্যালোরি জমা হয় এবং ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে।

হৃদরোগের ঝুঁকিঃ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, দুপুরে ঘুমানোর অভ্যাস দীর্ঘজীবন পর্যন্ত থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বিশেষ করে, যারা দিনে দুই ঘণ্টার বেশি ঘুমান, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি দেখা যায়।

বেশি ঘুম আসার কারণ কি

আমাদের শরীরের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু দিনের বেলায় অনেক মানুষেরই চোখে মুখে ঘুম লেগেই থাকে। প্রতিদিনের কাজকর্মে এ ধরনের সমস্যাটা অনেক বেশি মানুষেরই দেখা যায়। মূলত জীবনধারার ধরন বা নানা ধরনের ওষুধ সেবন করার কারণে সারাদিন ঘুম ঘুম পেতে পারে। কিন্তু এর বাইরেও কিছু জটিলতা রোগের লক্ষণ অতিরিক্ত ঘুম ভাব দেখা দিতে পারে। 

সাধারণত অতিরিক্ত পরিশ্রম কিংবা রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণের ঘুমের অভাব অথবা বিশ্রামের ঘাটতি দেখা দিলে শরীরে ঘুম ঘুম ভাব দেখা দেয়। এছাড়াও আপনার শরীরে পানি শূন্যতা থাকলেও বেশি ঘুম আসার কারণ হতে পারে। এর বাইরেও অতিরিক্ত স্থূলতা ঘুম হবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে। যদি আপনার শরীরে কিছু ভিটামিনের ঘাটতি দেখা যায় তাহলে বেশি ঘুম আসার কারণ হতে পারে। 

এছাড়াও আপনারা প্রতিমাত্রাই ব্যায়াম করলে বা শারীরিক পরিশ্রম করলেও এই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারবেন। বিশেষ করে কিডনি বা লিভারজনিত সমস্যা হলেও দিনের বেলায় বেশি বেশি ঘুম আসার কারণ দেখা দিতে পারে। কিংবা মস্তিষ্কের কিছু রোগের কারণেও আপনার এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

এগুলো বাদেও হার্টের কিছু সমস্যা এমনকি ক্যান্সার থেকেও হতে পারে আপনার অনেক বেশি ঘুম আসার কারণ। সাধারণত এই ধরনের সমস্যা ছাড়াও আরো বিভিন্ন সমস্যার কারণে বেশি বেশি ঘুম আসার কারন দেখা দেয়। তারা আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন বেশি ঘুম আসার কারণ কি কি রয়েছে।

লেখকের মন্তব্যঃ দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে? 

প্রিয় ভিজিটর আশা করি আপনারা সকলেই সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ে দুপুরে ঘুমালে কি ওজন বাড়ে? এবং দুপুরে খাওয়ার কতক্ষণ পর ঘুমানো উচিত এ বিষয়গুলো সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন। আশা করি আপনারা এ বিষয়গুলো জেনে অনেকটাই উপকৃত হয়েছেন। যদি আপনাদের এই ধরনের আর্টিকেল প্রয়োজন হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে সেটা জানিয়ে যাবেন। পাশাপাশি নিয়মিত এই ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url