কপালে নতুন চুল গজানোর উপায় - মাথার সামনের চুল গজানোর উপায়
কপালে নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন? যদি আপনারা এ বিষয়টি সম্পর্কে না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। এই আর্টিকেলটি তাহলে আপনার জন্যই। এই আর্টিকেলে আমরা এ বিষয়টি A to Z আলোচনা করেছি। তাই আর দেরি না করে আসুন বিস্তারিত তথ্য সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে জেনে নিন। চুল নিয়ে মানুষের প্রশ্নের অভাব নেই। এই চুল নিয়ে যত ধরনের সমস্যা রয়েছে সকল ধরনের সমস্যা সমাধান নিয়ে আজকে আমি এই আর্টিকেলে হাজির হয়েছে। তাই চুলের সমস্যার সমাধানে অবশ্যই এই আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করুন।
ভূমিকা
কপালে নতুন চুল গজানোর সমস্যাটি অনেকের জন্যই চিন্তার কারণ। মানসিক চাপ, অপুষ্টি, অথবা অযত্নের কারণে চুল পড়ে যাওয়া সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সঠিক পদ্ধতি ও প্রাকৃতিক উপায়ে কপালে নতুন চুল গজানো সম্ভব। নিয়মিত চুলের যত্ন, পুষ্টিকর খাবার, এবং প্রাকৃতিক তেল যেমন নারকেল তেল, রসুনের তেল বা পেঁয়াজের রস ব্যবহারে চুলের গ্রোথ বাড়ানো সম্ভব। এছাড়া মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ানোর জন্য স্কাল্প ম্যাসাজ এবং যোগব্যায়াম চুলের গজাতে সহায়তা করে। জানতে চান আরও কার্যকর উপায়? চলুন তাহলে কপালে নতুন চুল গজানোর উপায় গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।
মাথার সামনের চুল গজানোর উপায়
যদি আপনারা মাথা সামনের চুল নতুনভাবে গজানোর জন্য উপায় খুঁজেন তাহলে আজকের আর্টিকেল আপনার জন্যই। কারণ আজকে আমরা এই আর্টিকেলে মাথার সামনে চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করতে চলেছি। আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়লে আপনারা সকলেই জানতে পারবেন কি কি উপায়ে মাথার সামনের চুল গজানো যায়। তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
পেঁয়াজের রস ও অ্যালোভেরার জেলঃ পিঁয়াজের রসে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার চুলের বৃদ্ধি করতে অনেক বেশি সাহায্য করবে পাশাপাশি এই পেঁয়াজের রয়েছে সালফার যা চুলের ফলিকলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও পিয়াজের রস আপনার স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করতেও সহায়তা করবে।
যদি আপনারা পেঁয়াজের রস ও অ্যালোভেরা জেল একসঙ্গে মিশ্রণ করে চুলের গোড়ায় অর্থাৎ যে যে অংশ আপনার ফাঁকা রয়েছে সেই জায়গায় লাগিয়ে এক ঘন্টা রেখে দিয়ে তারপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে যদি আপনি তিন সপ্তাহ ব্যবহার করেন আশা করি উপকার পাবেন।
আলু ডিম মধু ও লেবুর প্যাকঃ যদি আপনার চুল গজানোর ইচ্ছা থাকে তাহলে আলুর রস ডিমের কুসুম এবং মধু ও লেবু একসঙ্গে মিশ্রণ করে চুলে ব্যবহার করতে পারেন এতে করে আপনার চুলের স্বাস্থ্য জন্য খুবই ভালো। এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন বিটামিন সি ও ভিটামিন ই তাই যদি আপনি সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার চুল গজাতে সাহায্য করবে।
এটি আপনাকে সপ্তাহে অন্তত একদিন এই ব্যক্তি ব্যবহার করতে হবে তাহলে আপনার চুল পড়া হার কমবে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এই ব্যক্তি ব্যবহার করার এক ঘন্টা পর মাথা শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলবেন তাহলে আশা করি অনেক উপকার পাবেন।
অলিভ অয়েল ও রসুনের রসঃ যদি আপনি অলিভ অয়েল এবং এক কোয়া রসুন থেতো করে হালকা কুসুম গরম করে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে লাগিয়ে রাখতে পারেন তাহলে আপনার চুলের গোড়া অনেক মজবুত হবে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। এটা আপনাকে অন্তত সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করতে হবে। তবে একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখবেন তেল লাগানোর সময় নখ যাতে স্ক্যাল্পে না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
আপনার আঙ্গুলের সাহায্যে আলতোভাবে প্যাক টুকু মেসেজ করতে হবে। বাজারে ভালো মানের যেগুলো অলিভ অয়েল রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করবেন। আশা করি মাথার সামনের চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
নতুন চুল গজানোর ঔষধ
আপনারা যারা নতুন চুল গজানোর জন্য ওষুধ খুঁজছেন তাদের জন্য আজকে আমি একটি ওষুধের নাম নিয়ে হাজির হয়েছি। সেই ওষুধের নাম হল ‘মিনোক্সিডিল টপিক্যাল’ ঔষধ। এটি মূলত পুরুষ ও মহিলা উভয় ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আপনারা যথাযথ রোগের নির্ণয়ের মাধ্যমে সঠিক চিকিৎসা করতে পারেন।
তাহলে আশা করি আপনার চুল পড়া সহজেই কমে যাবে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। শুধু তাই নয় গবেষণায় দেখা গিয়েছে মিনোক্সিডিল টপিক্যাল ওষুধটি আপনার চুলের ফলিক গুলোকে বৃদ্ধি করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। ফলে আপনার চুল হয়ে ওঠে অনেক লম্বা ও ঘন। এছাড়াও এটি রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে আপনার চুলের বৃদ্ধিকে আরো তারতম্য করে তুলতে সহায়তা করে।
যে সকল ব্যক্তিদের প্রচুর চুল পড়ছে এবং টাক জনিত সমস্যা রয়েছে তারা মিনোক্সিডিল ওষুধটি সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করতে পারেন। তবে যাদের ১৮ বছর বয়সের নিচে এবং ৬৫ বছর পার করেছেন তারা এই ওষুধটি ব্যবহার করবেন না। মিনোক্সিডিল ওষুধটি মাথা যে স্থানে চুল পড়ে গেছে ঠিক সেই স্থানে ড্রপার দিয়ে এক মিলি অথবা ৮ থেকে ১০ টি স্প্রে দিনে দুইবার প্রয়োগ করতে হবে।
প্রতিদিন সকালে এবং রাতে দুইবার করে মাথার ত্বকে উপরের ভাগে যেখানে চুল নেই সেখানে ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। তবে ঘুমানোর অন্তত দুই থেকে চার ঘন্টা আগে ব্যবহার করতে হবে তাহলে উপকার পাওয়া যাবে।
কপালে নতুন চুল গজানোর উপায়
আমাদের মধ্যে এমন অনেকে রয়েছে যাদের পেছনের দিকে অনেক বেশি চুল রয়েছে কিন্তু সামনের দিকে অনেক কম চুল রয়েছে। আস্তে আস্তে চুল এমন পর্যায়ে চলে যায় যে কপালে সাইড থেকে চুল হারিয়ে যায় এর জন্য আপনারা অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। আপনারা সকলেই ভাবতে থাকেন কিভাবে নতুন চুল গজানো যেতে পারে।
তাই আজকে আমি আপনাদের সুবিধার্থে কপালের নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। তাই দয়া করে এ আর্টিকেল মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। তাহলে আশা করি আপনারা সকলে এ বিষয়টি সঠিকভাবে জানতে পারবেন। তাহলে চলুন কি কি উপায় রয়েছে জেনে নেওয়া যাক।
পিয়াজের রসঃ পেজে রসে রসে প্রচুর পরিমাণে সালফার যা আপনার কপালের নতুন চুল গজাতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। অনেক আগে থেকেই অনেকে পেঁয়াজের রস ব্যবহার করে আসছেন। অবশ্যই এর উপকারিতা আছে বলেই আজ পর্যন্ত অনেকেই ব্যবহার করছেন।
কপালে নতুন চুল গজানোর জন্য প্রথমে আপনাকে পেঁয়াজ ভালোভাবে ব্লেন্ডার করে নিতে হবে। এরপর সেখান থেকে রস বের করে মাথার ত্বকে ও কপালের যেখানে যেখানে চুল নেই সেখানে ভালোভাবে লাগিয়ে রাখতে হবে। অন্তত দুই মিনিট লাগিয়ে রাখলে অবশ্যই আপনারা ভালো ফলাফল পাবেন।
যদি আপনারা এটি রাতে ব্যবহার করতে চান তাহলে ঘুমানোর আগে পেঁয়াজের রস মাথায় দিয়ে সারারাত রেখে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নেবেন। এইভাবে আপনারা সপ্তাহে চার থেকে পাঁচ দিন ব্যবহার করবেন এক মাস পর দেখবেন আপনার কপালে ছোট ছোট চুল গজাবে।
ক্যাস্টর অয়েলঃ এই ক্যাস্টর অয়েল চুলের জন্য খুবই উপকারী। আপনার হয়তো অনেকেই এই ক্যাস্টর অয়েলের নাম শুনেছেন এটি আপনার চুল গজাতে অনেক বেশি সাহায্য করবে। শুধু তাই নয় যাদের ভুরু পাতলা এবং কম থাকে তারা চাইলে এই ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন।
তাহলে আপনার ভুরুতে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে এবং ভুরু অনেক মোটা হবে। এই ক্যাস্টর অয়েলের থাকা রিসিন লাইট নামক একটি উপাদান যা আপনার চুলের ফলিকল তৈরি করে আপনার চুল গজাতে বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। তাই আপনারা চাইলে এটি ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারেন।
রসুনঃ এছাড়াও আপনারা নতুন চুল গজাতে মাথার চুলে রসুন ব্যবহার করতে পারেন। সেজন্য আপনাকে প্রথমে পাঁচ থেকে ছয় কোয়া রসুন এবং দুই চামচ নারকেল তেল নিতে হবে। এরপর ভালোভাবে রসুন ব্লেন্ডার করে রস বের করে নিতে হবে। এরপর রসুনের রস এবং তেল একসঙ্গে মিশ্রণ করে হালকা কুসুম গরম করে নিতে হবে।
তারপর সেই তেলটি আপনার মাথার থেকে ভালোভাবে লাগাতে হবে। রাতে ঘুমানোর আগে এভাবে লাগিয়ে রেখে সকালে নিলে অনেক বেশি উপকার পাবেন। যদি আপনারা সব এটি সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করেন তাহলে বুঝতে পারবেন এর উপকারিতা কতটুকু রয়েছে।
আলুঃ অনেকেই মনে করেন আলো খাওয়ার জিনিস এটা দিয়ে কিভাবে চুল গজানো সম্ভব? কিন্তু হ্যাঁ আপনারা চাইলে আলু ব্যবহার করেও নতুন চুল গজানো সম্ভব। সেজন্য আপনাকে প্রথমে একটি মাঝারি সাইজের আলু নিতে হবে এরপর সেখান থেকে রস বের করে একটি ডিমের কুসুম এবং তিন চামচ মধু ও পানি ভালো হবে মিশ্রণ করে এক ঘন্টা পর্যন্ত চলে লাগিয়ে রাখতে হবে।
তারপর ভালোভাবে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিতে হবে। যদি আপনারা এই পদ্ধতি সপ্তাহে দুই দিন ব্যবহার করেন তাহলে আশা করি অনেক উপকার পাবেন। আশা করি কপালে নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।
প্রাকৃতিক উপায়ে নতুন চুল গজানোর উপায়
অনেকে রয়েছে নতুন চুল গজানোর জন্য বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে। কেউ কেউ ডাক্তারের কাছে গিয়ে হাজার টাকা ফুরিয়ে দিচ্ছে এই নতুন চুল গজানোর জন্য। কিন্তু আপনারা কি জানেন প্রাকৃতিক উপায় নতুন চুল গজানো সম্ভব? হয়তো অনেকেই জানেন না। যেহেতু আপনারা জানেন না সে তো আজকে আমি আপনাদের প্রাকৃতিক উপায় নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করব। তাই আর দেরি না করে আসুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।
অ্যাপেল সাইডার ভিনিগারঃ যদি আপনারা নতুন চুল গজাতে চান তাহলে ভিনেগার ব্যবহার করতে পারেন। এটা আপনার ত্বকের পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক বেশি সাহায্য করে পাশাপাশি তালু ত্বক পরিষ্কার রাখে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
মেথিঃ এই মেথিতে বেশ কিছু উপাদান রয়েছে যা আপনার চুল বৃদ্ধি করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। যদি আপনি নারকেল তেলের সাথে মেথি থেত করে একসঙ্গে মিশ্রণ করে একটি পেস্ট তৈরি করে চুলে ব্যবহার করতে পারেন তাহলে আশা করি অনেক উপকার পাবেন। সাধারণত এটি ৩০ মিনিট রেখে তারপর ধুয়ে নিলে আপনার নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
ডিমঃ এই ডিমটাও বেশকিছু উপাদান রয়েছে যা আপনার নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে। অল্প একটু অলিভ অয়েল এবং দুইটি ডিম একসঙ্গে মিশ্রণ করে আপনার মাথায় লাগিয়ে রাখুন। এরপর ৩০ মিনিট রেখে দেওয়ার পর সাবান দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। আশা করি এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে আপনার নতুন গজাতে সাহায্য করবে।
নারকেলের দুধঃ আপনি কি জানেন নারকেলের দুধ আপনার মাথার নতুন চুল গজাতে কতটুকু উপকারী? যদি আপনারা না জেনে থাকেন তাহলে জেনে নিন। নারকেলের তেল এবং পাতি লেবুর রস একসঙ্গে মিশ্রণ করে মাথায় চার থেকে পাঁচ ঘন্টা লাগিয়ে রেখে পরে ধুয়ে ফেলুন। এটা করে অনেক বেশি উপকার পাবেন।
কত বছর বয়স পর্যন্ত চুল গজায়
আপনি কি কখনো ভেবেছেন, আপনার মাথার চুল আসলে কতদিন বা কত বছর ধরে থাকে? চুলের জীবনচক্র অনেকের কাছেই অজানা। চুল কীভাবে গজায়, কতদিন বেঁচে থাকে এবং কেন পড়ে যায়, এই প্রশ্নের উত্তর জানা খুবই জরুরি। আজকে আমি আপনাদের কত বছর বয়স পর্যন্ত চুল গজায় সেই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করব। তাই আসুন আর দেরি না করে জেনে নিন।
সাধারণত একটি চুল প্রতিমাসে আধা ইঞ্চি করে বড় হয় এই চুল দুই থেকে চার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। যদি এই বছরগুলো পার হয়ে যায় তাহলে চুল এমনিতেই ঝরে যায় আবার বিভিন্ন কারণে চুল পড়ে যায়। তবে আপনার চুল কত বছর পর্যন্ত গজবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর যেমন-
- জিনগত কারণ
- পুষ্টির অভাব
- হরমনের সমস্যা
- বিভিন্ন রোগ
- কিংবা মানসিক চাপ
মূলত উপরে উল্লেখিত সমস্যার কারণে অনেক মানুষেরই চুল অল্প বয়সেই ঝরে যায়। আবার কারো কারো বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল গজানো বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এটা সব সময় সত্যি বলে ভেবে নেওয়া মোটেও উচিত নয়। যদি আপনি চুলের সঠিক যত্ন নিতে পারেন তাহলে অবশ্যই বৃদ্ধ বয়স হলেও আপনার চুল গজাতে পারে। আশা করি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন।
নতুন চুল গজানোর তেল
অনেকে রয়েছে যারা নতুন চুল গজানোর বিভিন্ন তেল খুঁজে থাকেন। তাই তাদের উদ্দেশ্যে আজকে আমি এই আর্টিকেলের অংশটুকুতে নতুন চুল গজানোর তেল নিয়ে হাজির হয়েছি। তাই আপনারা যারা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তারা অবশ্যই এই আর্টিকেল এর অংশটুকু মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।
নতুন চুল গজানোর জন্য যে তেল গুলো রয়েছে সেগুলো হলোঃ
- নারকেল তেল
- কাঠবাদাম তেল
- অলিভ অয়েল
- ক্যাস্টর অয়েল
- লেভেন্ডার অয়েল
লেখকের মন্তব্যঃ কপালে নতুন চুল গজানোর উপায়
আমরা ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে জানতে পেরেছি কপালে নতুন চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে এবং মাথার সামনের চুল গজানোর উপায় সম্পর্কে। আশা করি সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ে অনেক বেশি উপকৃত হয়েছেন। যেহেতু উপকৃত হয়েছেন সেহেতু আপনার অবশ্যই আপনার বন্ধু-বান্ধবের মাঝে আর্টিকেলটি শেয়ার করুন। পাশাপাশি এই আর্টিকেলে আপনার মতামত প্রকাশ করুন। সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url