আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে যদি আপনারা না জেনে থাকেন তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনাদের সুবিধার্থে আজকে আমি এই আর্টিকেলে এ বিষয়টি সম্পর্কে A to Z জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। তাই আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ থাকবে আর্টিকেল মনোযোগ সহকারে পড়ুন।
আখের-গুড়ের-উপকারিতা-ও-অপকারিতা
যদি আপনারা সম্পূর্ণ আর্টিকেল একদম মনোযোগ সহকারে পড়েন তাহলে আশা করি আখের গুড়ের বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এছাড়াও আখের গুড় খেলে কি ওজন বাড়ে এবং আখের গুড় খাওয়ার নিয়ম সহ আরো যাবতীয় তথ্য সঠিকভাবে জেনে যাবেন। তা আর দেরি না করে আসুন জেনে নিন।

ভূমিকা

আমাদের মধ্যে মূলত অনেকেই রয়েছে যারা গুড় খেতে পছন্দ করেন। বিশেষ করে শীতকালে অনেকে গুড়ের ওপর অনেক বেশি চাহিদা করে। তার একটাই কারণ শীতের সময় গুড় দিয়ে পিঠাপুরি খেতে কিংবা পায়েস খেতে অনেক বেশি ভালো লাগে। তাই আখের গুড়ের তুলনা অতুলনীয়। সাধারণত অনেকে রয়েছে যারা আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জানেন না। এছাড়াও আখের গুড় খেলে কি ওজন বাড়ে? এ বিষয়টি সম্পর্কেও অনেকে জানেন না। তাই আপনাদের চিন্তা মাথায় রেখে আজকে আমি এই আর্টিকেলে এই বিষয়গুলো বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। তাই আর কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

কোন গুড় ভালো

বাঙালিরা গুড় খেতে অনেক বেশি পছন্দ করে। কারণ গুড়ের মিষ্টি গন্ধ আর স্বাদ গুরুপ্রেমীকে অনেক আকৃষ্ট করে তোলে। শীতের সময় নানা ধরনের পিঠা পায়েস এগুলোতে গুড় ব্যবহার করা হয়ে থাকে। চিনির থেকে স্বাস্থ্যকর পক্ষে অনেক বেশি ভালো গুণ। অনেকে আবার স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন গুড় খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করেন। গুড়ে রয়েছে সেলেনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, জিংক, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং সংক্রমণ দূরে রাখতে সহায়তা করে। 

খেজুরের রস থেকে তৈরি হয় খাঁটি মিষ্টি গুড়। কিন্তু আজকাল দেশে গুড়ের মধ্যেও ভেজাল মেশানো হয়। গুড় তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম চিনি এবং রাসায়নিক রং দিয়ে যার কারণে অনেকে কোন গুড় ভালো তা বুঝতে পারছেন না। অতিমাত্রায় বাণিজ্যিক চিন্তা এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতি লোভ হওয়ার কারণে খেজুরে ভেজাল আরো বেড়েই চলেছে। 

বাড়তি চাহিদা এবং রং উজ্জ্বল করতে অনেকেই খেজুরে চিনি ফিটকিরি এবং রাসায়নিক ব্যবহার করে থাকেন কিন্তু গুড় আসল না নকলতা চেনার উপায় রয়েছে। অবশ্যই আপনি গুড় কেনার সময় রং দেখে কিনবেন। অনেক ক্ষেত্রেই দেখে বিচার করা যায় না এটা আসল না নকল গুড়। যদি শুদ্ধ খাঁটি গুড় হয় তাহলে তার রং হবে গাঢ় বাদামি। 

আর যেগুলো ভেজাল গুড় সেগুলোর রং দেখবেন হলুদ এবং রাসায়নিক কিছু মেশানো রয়েছে। ভেজাল গুড় পাটালি চকচক করে। পাটালির গুড়ের রং সাদা হয়ে থাকে এখানে ব্যবহার করা হয় হাইড্রোজেন ইত্যাদি। আসল খেজুর গুড় পাটালি কখনোই চকচক করে না কালচে লাল হয়ে থাকে এবং সেটা নরম ও রসালো থাকে। 

কেনার সময় দেখবেন অনেকে চেখে নিতে বলে। তখন আপনি একটু চেখে নিবেন এবং যদি স্বাদ নোনটা থাকে তাহলে বুঝতে পারবেন কিছু মেশানো রয়েছে। মূলত এ ধরনের গুড় যতই পুরনো হোক না কেন ততই লবণের মাত্রা বেশি থাকবে। তাই কিনার সময় অবশ্যই দেখে শুনে তারপর গুড় কিনবেন।

গুড় খেলে কি সুগার হয়

অনেকের ধারণা যে চিনি অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। তবে এটি কিন্তু মোটেও সঠিক নয়। তবে যদি একবার আপনার কোন কারণে শরীরে ডাইবেটিস বাসা বাঁধে তাহলে চিনি কিংবা অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় যে কোন খাবার খেলেই রাশ টানতেই থাকবে। একেবারে যদি আপনারা বন্ধ করে দিতে পারেন মিষ্টি খাওয়া তাহলে খুবই ভালো তবে এমন মানুষ রয়েছে যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন বলে রান্নায় চিনি খাওয়া একেবারেই বাদ দিয়ে দিয়েছেন। 

কিন্তু চিনির বদলে আপনারা অনেকেই খেয়াল করে দেখবেন গোল খেয়ে থাকেন কিন্তু গুড় আদৌ কি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো? পুষ্টিবিদরা বলেন যে গুড় খেলে সুগারের মাত্রা অনেক বেড়ে যেতে পারে। এর উচ্চ গ্লাইসেমিক সূচকের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য গুড় বিকল্প হতে কখনোই পারেনা। এই গুড়ের পরিসংখ্যানটি এত বেশি যে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য খুবই ক্ষতিকারক হিসেবে চিহ্নিত। 

যদিও এটা সরাসরি চিনি কিংবা গ্লুকোজের মতো অতিরিক্ত নয় তবে গুরু খেলে অনেকেরই সুগারের লেভেল বেড়ে যায় ফলে ডাইবেটিস হওয়ার প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যায়। গুড় খেলে কি সুগার হয়? আশা করি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেয়ে গেছেন।

আখের গুড় খেলে কি ওজন বাড়ে

আখের গুড় আমাদের ঐতিহ্যবাহী খাদ্য উপাদান, যা প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং হালকা-ঝরঝরে মিষ্টি স্বাদের জন্য জনপ্রিয়। তবে, অনেকের মধ্যে প্রশ্ন থাকে, আখের গুড় খেলে কি ওজন বাড়ে? আখের গুড় প্রাকৃতিক শর্করা থেকে তৈরি হওয়ায় এটি উচ্চ ক্যালোরি সমৃদ্ধ। প্রতি ১০০ গ্রাম গুড়ে প্রায় ৩৮৩ ক্যালোরি থাকে, যা বেশি পরিমাণে খেলে ওজন বাড়ার সম্ভাবনা থাকে।

তবে, সঠিক পরিমাণে খাওয়া হলে এটি শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। গুড়ে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, এবং ফসফরাস, যা শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে। যদি আপনি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তবে গুড়ের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। গুড় প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়ায় এটি চিনি বা কৃত্রিম মিষ্টির তুলনায় স্বাস্থ্যকর বিকল্প। 

এক চামচ গুড় খাওয়া রক্ত পরিষ্কার করতে, হজম শক্তি বাড়াতে এবং শরীরের এনার্জি লেভেল উন্নত করতে সহায়ক। তবে অতিরিক্ত গুড় খাওয়া ওজন বৃদ্ধির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি নিয়মিত ক্যালোরি বার্ন করার পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যকলাপ না করেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন আখের গুড় খেলে কি ওজন বাড়ে না কমে। আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে।

আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

গুড়, এটি খেতে পছন্দ করেন না এরকম মানুষ খুব কম রয়েছে। বিশেষ করে শীতের সময় খুবই জনপ্রিয় একটা জিনিস হল গুড়। প্রত্যেকটা বাড়িতে কমবেশি গুড় থাকবে। কারণ সেটার সময় অনেকেই পিঠাপুরি খেতে পছন্দ করেন আর এই সময় পিঠা তৈরির জন্য পিঠা তৈরির জন্য খুবই কার্যকর। বিভিন্ন রকমের গুড় দিয়ে তৈরি জিনিস আমরা অনেকেই খেয়ে থাকি। সে খাবারগুলো অনেক পুষ্টিকর হয়ে থাকে এবং প্রচুর নিউট্রিশন থাকে।

১০০ গ্রাম গুড়ের মধ্যে সাধারণত ২৫ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে চিনির বিকল্প হিসেবে গুড় আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। গুড়ের মধ্যে প্রচুর নিউট্রিশন থাকে আবার অনেক বেশি গুড়ের মধ্যে মিনারেলস, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফসফেট ইত্যাদি থাকে। যার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। 

এছাড়াও এই উপাদান গুলো শরীরের রক্ত তৈরি করার জন্য বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। শুধু তাই নয় শরীরের অ্যানিমিয়া থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আয়রন সাহায্য করে। আর এই আয়রন প্রচুর পরিমাণে পেয়ে যাবেন গুড়ের মধ্যে। এটির মধ্যে পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা আপনার চিনির পরিবর্তে অল্প পরিমাণে ডায়াবেটিস রোগীরা খেলেও তেমন কোনো সমস্যা নেই।

যদি তাদের সুগার কন্ট্রোলে থাকে। এছাড়াও এই গুড়ের মধ্যে রয়েছে ইনক্লেমেটরি উপাদান যা আমাদের ক্যান্সার রোধ করতে অনেক বেশি সাহায্য করে এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন রোগ দূর করতেও সাহায্য করে। গুড় খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি পেট খারাপের সমস্যা দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আখের গুড়ের অপকারিতা

আখের গুড় খাওয়ার যেমন উপকারিতা রয়েছে ঠিক তেমনি অপকারিতা ও রয়েছে। যেহেতু আপনারা আখের গুড়ের উপকারিতা সম্পর্কে উপরে জানতে পেরেছেন সেহেতু চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক আখের গুড়ের অপকারিতা সম্পর্কে।

  • যারা ওজন নিয়ে চিন্তার মধ্যে রয়েছেন অর্থাৎ ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আখের গুড় খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ আখের গুড় খেলে আপনার ওজন বৃদ্ধি হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি রয়েছে। তবে পরিমাণ মতো খেলে তেমন কোনো সমস্যা নেই তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে আপনার ওজন বৃদ্ধি হবে।
  • এছাড়াও যারা অতিরিক্ত মাত্রায় আখের গুড় খেয়ে থাকেন তাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেকটা বেড়ে যেতে পারে, এছাড়াও পেট খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা এবং দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।
  • যে সকল ব্যক্তিদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তারা অবশ্যই সাবধানে আখের গুড় খাওয়ার চেষ্টা করবেন। অর্থাৎ পরিমাণের চেয়েও কম খাওয়ার চেষ্টা করবেন তাহলে আশা করি ভালো থাকবেন। আশা করি আপনারা আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে পেরেছেন।

আখের গুড়ের শরবত খাওয়ার উপকারিতা

আপনারা যারা আখের গুড়ের শরবত খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই এই আর্টিকেলের সাথেই থাকুন। কারণ এই আর্টিকেলে আমরা এই বিষয়টি আপনাদের বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করব। তাই আর দেরি না করে আসুন মূল আলোচনায় যাওয়া যাক।

  • যদি আপনারা প্রতিদিন আখের শরবত খেতে পারেন তাহলে আপনাদের শরীর অনেক ভালো থাকবে। এছাড়াও অতিরিক্ত গরমে মানুষের টক্সিন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর ওই সময় যদি আপনি গুড়ের শরবত খেতে পারেন তাহলে ক্ষতিকর টক্সিন বের হয়ে যাবে ফলে আপনার লিভার পরিষ্কার থাকবে।
  • আখের গুড়ের শরবতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম পটাশিয়াম জিংক আয়রন ইত্যাদি যা আপনার সংক্রমণ দূর করতে সাহায্য করবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে।
  • এছাড়াও যারা ঠান্ডা জনিত সমস্যায় ভুগছেন অর্থাৎ সর্দি কাশি তারা চাইলে আখের গুড়ের শরবত পরিমান মত পান করতে পারেন। তাহলে আশা করি এ ধরনের সমস্যা সহজে দূর হয়ে যাবে।
  • অনেক মানুষের শরীরে গরমের কারণে ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি দেখা দেয় আর এই ঘাটতি পূরণ করার জন্য সাহায্য করতে পারে আখের গুড়ের শরবত।
  • এছাড়াও আপনাদের মধ্যে যাদের খুশখুসে কাশি গলা ব্যথা ফোলা ভাব ইত্যাদি সমস্যা রয়েছে তারা চাইলে আখের গুড়ের শরবত খেতে পারেন। কারণ আখের গুড়ের শরবত পান করলে আপনার এ ধরনের সমস্যা প্রবণতা অনেকটা কমাতে সাহায্য করে থাকে।
  • বিশেষ করে গরম কালে মানুষের শরীরে অনেক বেশি উপকারে আসে আখের গুড়ের শরবত। এ সময় আখের গুড়ের শরবত খেলে শরীর অনেক শীতল থাকে এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই আপনারা চাইলে আখের গুড়ের শরবত খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে এটি খাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।

আখের গুড় খাওয়ার নিয়ম

আখের গুড় অনেক মিষ্টি এবং পুষ্টিকর খাবার যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকার বয়ে আনে। এতে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি শুধু মিষ্টি খাবারের বিকল্প নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনেরও একটি অংশ হতে পারে। তবে গুড় খাওয়ার সঠিক নিয়ম মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।

খালি পেটে নয়ঃ খালি পেটে গুড় খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে। তাই খাবারের পর অল্প পরিমাণে গুড় খাওয়া ভালো।

অতিরিক্ত নয়ঃ প্রতিদিন ১০ গ্রাম গুড়ই যথেষ্ট। অতিরিক্ত খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

ব্যায়ামের পরঃ আপনারা চাইলে ব্যায়ামের পর গুড় খেতে পারেন। কারণ ব্যায়ামের পর গুড় খেলে আপনার শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করবে এবং ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করবে।

লেখকের মন্তব্যঃ আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা

সম্মানিত পাঠক আপনারা সকলেই ইতিমধ্যে সম্পন্ন আর্টিকেল পড়ে জানতে পেরেছেন আখের গুড়ের উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। যেহেতু আপনারা এ বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন সেহেতু আশা করি উপকৃত হয়েছেন। তাই আপনাদের কাছে একটাই অনুরোধ রইল আর্টিকেলটি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করতে ভুলবেন না। পাশাপাশি আর্টিকেল পড়ে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না। সম্পূর্ণ আর্টিকেল পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

মাহ্ফুজ আইটি বিডির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url